শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

আমাদের ওপর যুদ্ধের গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল ; ২২ জন নেতাকর্মী মারা যায়- প্রধানমন্ত্রী 

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার।।

আওয়ামিলীগের সভানেত্রী ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০৪ সালের ২৪ আগস্ট আমাদের শান্তি র‍্যালিতে দিনেদুপুরে গ্রেনেড হামলা করে তারেক-খালেদা জিয়া গং। যুদ্ধের ময়দানের গ্রেনেড আমাদের ওপর ছোড়া হয়েছিল। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতাকর্মী মারা যায়। আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে গিয়েছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি উন্নয়ন করেছি,বিএনপি আগুন সন্ত্রাস করে মানুষ হত্যা করেছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন।
কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, গীতা ও ত্রিপিটক পাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভা শুরু হয়।
শুরুতেই বক্তব্য দেন জনসভার সভাপতি ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুর ইসলাম চৌধুরী।
বিকেল ৪টার দিকে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জনসভা মঞ্চে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়ামে উপস্থিত লাখো নেতাকর্মী ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছে জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছিলেন, সেই আদর্শ নিয়ে আমি কাজ করে যাচ্ছি। বাংলার জনগণের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই, কারণ বারবার ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করে জনসেবা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া কেউই এই কক্সবাজার এলাকার উন্নয়ন করেনি।

কক্সবাজার জেলার ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। আপনাদের এলাকায় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৯টি প্রকল্প আজ উদ্বোধন করেছি। ৪টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি।
তিনি বলেন, করোনার সময় আমরা অনেক প্রকল্প করে দিয়েছি। কক্সবাজার জেলায় আসতে পারিনি, কিন্তু মনটা এখানে পড়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে গ্রেনেড যুদ্ধের মাঠে ব্যবহার করা হয় সেই গ্রেনেড মারা হয়েছিল আমাদের ওপর। আমাদের আইভি রহমানসহ অনেকে মারা গেছে। আল্লাহর রহমতে আমি সেদিন বেঁচে গিয়েছিলাম। ধ্বংস করা ছাড়া এরা (বিএনপি-জামায়াত) কিছু পারে না। ৭৫-এর পর এরা ২১ বছর ক্ষমতায় ছিল। এরা কী দিয়েছে বাংলাদেশকে? জিয়া সরকার তো কিছুই দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘জামায়াত-বিএনপি এই দেশের মানুষকে কী দিয়েছে? মানুষ খুন, মানি লন্ডারিং, বোমাবাজি এসব দিয়েছে তারা দেশকে। খালেদা জিয়া এতিমের টাকা মেরে দিয়েছে। তার কারাদণ্ড হয়েছে। তারেক রহমানেরও কারাদণ্ড হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ১৮-তে নৌকায় ভোট দিয়েছেন। আমরা ক্ষমতায় এসেছি। টানা তিনবার ক্ষমতায় রয়েছি। দেশের উন্নয়নে কাজ করেছি।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভোট হবে, সেবারও আমাকে ভোট দিয়ে আমাদের জয়যুক্ত করবেন। আপনারা নৌকায় ভোট দেবেন? আবার আসিবো ফিরে এই কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের তীরে।
এরআগে, জনসভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফাসহ কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভা মেয়ার মুজিবুর রহমান এবং কক্সবাজার পৌরসভা আওয়ামী লীগ সভাপতি নজিবুল ইসলাম। জনসভা শেষে বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।
এরআগে, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে কক্সবাজারের ইনানীতে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ইনানি সমুদ্র সৈকত থেকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে নৌবাহিনী আয়োজিত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৮ দেশের নৌবাহিনী ও মেরিটাইম সংস্থার অংশগ্রহণে চার দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ (আইএফআর)-২০২২ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বিশ্বের মোট ২৮টি দেশের নৌবাহিনীর প্রধান বা উচ্চপদস্থ নৌ প্রতিনিধিরা এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীসহ বিশ্বের সাতটি দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ, মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টার এই আইএফআরে অংশ নিয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ