শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ‘আসা যাওয়ার পথে কোনো তোরণ নির্মাণ করা যাবে না’

মিরাজুল কবীর টিটো যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশকালঃ সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

কোনো তোরণ নির্মাণ করা যাবে না যশোর শহরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে। যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় আসা যাওয়ার পথে কোনো তোরণ নির্মাণ না করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জনসমাগম নির্বিঘœ করতে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা এমন নির্দেশনা দিয়েছে। ইতোমধ্যে শহরে নির্মিতব্য তোরণ খুলে ফেলতে দেখা গেছে।

রোববার কালেক্টরেট সভাকক্ষ অমিত্রাক্ষরে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সভায় বলা হয়, যশোরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় আসা যাওয়ার পথে কোনো তোরণ থাকবে না। শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও শহরের মোড়েও কোনো তোরণ থাকবে না। যেসব তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলো আজ সোমবারের মধ্যে অপসারণের জন্য পৌরমেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনী খান পলাশকে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলনকেও বলা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে প্রস্তুতি চলছে জোরেসোরে। প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করতে হবে। শহরে কিছু ঢাকনাবিহীন ড্রেন আছে, সেগুলোয় ঢাকনা বসানোসহ সড়কের পাশের গাছের ডাল কাটাসহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে পৌরমেয়রকে জানানো হয়েছে। হেলে পড়া বেশ কিছু খাম্বা একটি আরেকটির সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। সেগুলো ঠিক করার জন্য তিনি পৌরসভার মেয়রের প্রতি আহবান জানান তিনি। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য যা যা করা প্রয়োজন সেটা করা হবে।

যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বলেন, যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব আমাদের। জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর আসা যাওয়ার পথে কোনো তোরণ থাকবে না। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়েও তোরণ থাকবে না। তোরণের কারণে যানজট সৃষ্টি হবে। যেগুলো আছে সেগুলো অপসারণ করা হবে। এজন্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলনকে সহযোগিতার আহবান জানান তিনি। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, যশোরবাসী ভাগ্যবান অনেকদিন পর প্রধানমন্ত্রী জনসভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখবেন। তার আসা যাওয়ার পথে নির্মাণ করা তোরণ আজ সোমবার উঠিয়ে নেয়া হবে। কোনো নেতাকর্মীকে তোরণ নির্মাণ না করার জন্য বলা হয়েছে।

যশোরের সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ^াস বলেন, জনসভার দিন অ্যাম্বুলেন্স, মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হবে। পৌরমেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনী খান পলাশ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে শহর থেকে ‘প্যানা’ অপসারণ করা হচ্ছে। শহর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলমান রয়েছে। যেসব বৈদ্যুতিক খাম্বায় বাল্ব নেই সেখানে বাল্ব লাগানো হচ্ছে। যেসব স্থানে তোরণ নির্মাণ করা নিষেধ, অথচ নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলো অপসারণ করা হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মর্জিনা আক্তার, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, ঝিকরগাছার পৌরমেয়র মোস্তফা আনোয়ার জামাল পাশা, কেশবপুরের পৌরমেয়র রফিকুল ইসলাম, সমাজসেবার যশোর উপপরিচালক অসিত কুমার সাহা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের যশোর উপপরিচালক হুমায়ুন কবীর খন্দকার, রাইট্স যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক প্রমুখ।

এদিকে, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পথে পথে তোরণ নির্মাণ করা যাবে না নির্দেশনা আসার পর শহরের বিভিন্নস্থান থেকে বাঁশখুটি সরিয়ে নেয়া হয়েছে। অনেকস্থানে বাঁশখুটি লাগানো হয়েছিল। শুধু কাপড় লাগানো বাকি ছিল। বিকেলে জেনারেল হাসপাতাল মোড় থেকে একটি নির্মিতব্য তোরণ খুলে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ