রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয়েছ জলাবদ্ধতা,মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাচারিতায় পানিবন্দি ২৩ পরিবার

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয়েছ জলাবদ্ধতা,মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাচারিতায় পানিবন্দি ২৩ পরিবার।

নাজিম উদ্দিন রানা:

ভগবানের পূজা আর্চনার করার জন্য লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের শাঁখাড়ীপাড়ায় পূর্ব পুরুষরা করেছিলো শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির জমিটিও দান করেছে। কিন্তু এই মন্দিরের জন্যই তাদেরই প্রজন্মের ২৩ টি পরিবার দূর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছে।
মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাচারিতায় গত ২০ দিন ধরে পানিবন্দী অবস্থায় আছে তারা। বাড়ির পানিপ্রবাহের পথ বন্ধ করে মন্দিরের সিমানা প্রাচির নির্মাণ করায় তারা এ দূর্ভোগে পড়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওইসব পরিবারের উঠানে পানি জমেছে হাঁটু পরিমাণ। এখন ময়লা পানি দিয়ে চলাচল করতে হয় তাদের। দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয়েছ এ জলাবদ্ধতা। ইতিমধ্যে দেখা দিয়েছে পানি বাহিত বিভিন্ন রোগ। সাপ সহ বিষাক্ত প্রাণী বসত ঘরে প্রবেশ করতে পারে এমন অতঙ্কে দিন যাচ্ছে তাদের। বৃষ্টির পানি জমে বন্যাপ্লাবিত এলাকায় পরিনিত হয়েছে বাড়িটি। এই ময়লা পানি মাড়িয়েই শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জলাবদ্ধতার ছবি ও ভিডিও দিয়ে পোষ্ট করায় মন্দির কতৃপক্ষ হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন পানি বন্ধি বাড়ির বাসিন্দারা।

ভুক্তভোগীরা জনান,সিমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় কথা ছিলো মন্দিরের কাজ যখন শুরু হবে তখন ড্রেন হবে। কিন্তু পৌর মেয়রের পরির্শন শেষে পৌর কতৃপক্ষ ড্রেনের কাজ করতে আসলেও মন্দির কমিটির বাধার মুখে ড্রেনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
পাশে একটি পুকুর ছিল, তাও ভরাট করে ফেলেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

পৌর শাখারীপাড়া এলাকার বড় বাড়ির বাসিন্দা সুমা দত্ত জানান, ১২৫ বছরের পুরোনো রক্ষাকারি মন্দির। ওই সময় তাদের পূর্ব পুরুষরা মন্দিরের জমিটি দান করেছে। এর আগেও প্রবিত্রতার অজুহাতে মন্দিরের সমনে দিয়ে আমাদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে বিকল্প রাস্তা করে দিয়েছে। কথা ছিল ড্রেন হবে এখন তারাও ড্রেন করছে না, আমাদেরকেও ড্রেন করতে দিচ্ছে না। দুই দিনের বৃষ্টিতে ঘরের মেঝেতে পানি উঠে গেছে। এতে ছোট ছেলে-মেয়েদের নিয়ে আতংকে দিন কাটছে আমাদের। এছাড়া পানিবাহিত রোগও দেখা দিয়েছে অনেকের। তাদের অভিযোগ, মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বেচ্ছাচারিতায় এখন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ২৩টি পরিবার।

মন্দির কমিটির সভাপতি রবি দাস নন্দি বলেন, পবিত্রতা রক্ষার্থে মন্দিরের ভিতর দিয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমি মন্দিরের ভিতর দিয়ে কোন ড্রেন হতে দিবো না।
প্রয়োজনে কমিটিসহ এলাকার সবাইকে নিয়ে বসা হবে সবাই যদি বলে তখনই ড্রেন হবে।

স্থানীয় কাউন্সিলর উত্তম দত্ত বলেন, পৌরসভা থেকে ড্রেনের কাজ করতে গেলে মন্দির কমিটির বাধার কারনে ড্রেন করা সম্ভব হয়নি।
জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়াতে আমি পৌরসভার লোকজন নিয়ে কিছুটা পানি নিষ্কাশন করেছি।
বিষয়টি মেয়র সাহেবকে জানানো হয়েছে। অচিরেই একটা সমাধান হবে।

পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া বলেন, র্দীঘ দিন থেকে বড় বাড়িতে পানি নিষ্কাশন
যে সমস্যা ছিলো সে অভিযোগ পেয়ে আমি সরোজমিনে পরির্দশন করেছি। পৌরসভা থেকে ড্রেনের জন্য অর্থ বরাব্ধ হয়েছে। কিন্তু মন্দির এবং বাড়ি দুই পক্ষের জটিলতার জন্য ড্রেনের কাজ করা সম্ভব হয়নি। অচিরেই দুই পক্ষকে ডেকে সমাঝোতার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ