রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে ইবি শিক্ষক

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে ইবি শিক্ষক।

মাহমুদ/ইবি প্রতিনিধি :

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে কুষ্টিয়ার বড় বাজার নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৪৫ বছর।

বিভাগ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের ডায়াবেটিস ছাড়া অন্য কোনও রোগ ছিলো না। বুধবার রাত ১২টার দিকে তাঁর শরীর ব্যাথা অনুভূত হচ্ছিল। স্বাভাবিক মনে করে সকালে হাসপাতালে যাবেন বলে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২ টার দিকে আবারও তাঁর বুকে তীব্র ব্যাথা শুরু হয়। এসময় হাসাপাতালে নেওয়ার পথে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজার নামায অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ জোহর কুষ্টিয়া শহরের কুটিপাড়া জামে মসজিদে ২য় জানাযা শেষে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। ড. রেজাউল করিম তাঁর সহধর্মিণী ও এক কন্যা সন্তানসহ অনেক আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ড. রেজাউল করিম ২০০৩ সালে ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে বিভাগের সভাপতি, হল প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের আর্সেনিক গবেষণায় একজন দেশখ্যাত বিজ্ঞানী ছিলেন তিনি এবং তাঁর অনেক গবেষণাপত্র বিভিন্ন সময় জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, ” ড. রেজাউল করিম খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁর কর্মজীবন খুবই বর্ণাঢ্য। তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।”

এদিকে ড. রেজাউল করিমের মৃত্যুতে পৃথক পৃথক শোকবার্তায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। এসময় তাঁরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ