রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

বার বার ডিএসইর এমডির পদত্যাগ, খতিয়ে দেখার দাবি

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২

বার বার ডিএসইর এমডির পদত্যাগ, তদন্তের দাবি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান এমডি তারিক আমিন ভূঁইয়ার পদত্যাগের কারণ জানাতে ও এর সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

সোমবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বার বারই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জরিয়ে পড়ছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি সিকিউরিটিজ হাউজের মালিক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কতিপয় দূর্নীতিবাজ কর্মচারী ও কর্মকর্তার সহায়তায় বিনিয়োগকারীদের বিপুল অংকের টাকা নিয়ে পুঁজিবাজার থেকে চম্পট দিয়েছিল। এই দূর্নীতির দায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনভাবেই এড়াতে পারেন না। যে সকল হাউজগুলো টাকা আত্মসাৎ করেছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ তাদেরকে কোন শাস্তির আওতায় না এনে বরং তাদের সাথে আতাত করে বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করেছে। উপরোন্ত পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরা তাদের সাথে যোগাযোগ করলে অধিকাংশ সময়ই উল্টো লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে।

তাছাড়া বেশ কয়েকদিন পূর্বে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জেরম কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল যা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ভিতরে একটি শক্তিশালী দূর্নীতিবাজ চক্র লুকিয়ে আছে, যাদের কারণে ইতিপূর্বে অধিকাংশ ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি বরং তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের সাপোর্ট না দেওয়ার কারণে ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চলে যেতে হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান এমডি তারিক আমিন ভূঁইয়া আইটি সেক্টরের একজন অভিজ্ঞ লোক। আইটি সেক্টরের দূর্নীতিরোধে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এমডির নেওয়া কিছু পদক্ষেপের কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কিছু কর্মকর্তা ও স্বতন্ত্র পরিচালকরা অখুশি ছিলেন যা আমরা জানতে পেরেছি। এতে করে শেয়ার লেনদেনের গোপন তথ্য তাদের কাছে পাচার করতে পারছিলেন না কিছু অসাধু কর্মকর্তারা। ফলে এমডির প্রতি স্বতন্ত্র পরিচালকরা ও কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্ষেপে যান।

এছাড়া, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি অংশ দীর্ঘ সময় ধরে এমডিকে অসহযোগিতা করে আসছিলেন যেটা তিনি পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন। আইটি সেক্টেরের উন্নয়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের অনিয়ম ও দূর্নীতিরোধকরা বিনেয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় কল্যাণজনক কাজ। এমনই সময়ে আইটির উন্নয়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন, কারসাজিরোধ ও ফাইভ পি ফর্মূলা বাস্তবায়ন করতে যাওয়া একজন মানুষকে অপমান ও অপদস্ত করে পদত্যাগে বাধ্য করা হলো কিভাবে?

তাই আমরা এই পদত্যাগের আসল কারণ জানতে চাই ও এর সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি। বার বার এমডির পদত্যাগ পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার অন্তরায় বলে আমরা মনে করি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ