রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষার আহ্বান

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২২

ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষার আহ্বান

দেশের প্রত সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল এতে ইন্ধন যোগাচ্ছে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্যঃ

(১) দেশের ১০৮টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ৫.০০লক্ষ শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে। তাতে শিক্ষার্থীরা দেশের ভিতর আন্তর্জাতিক মানের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। এতে বছরে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা যেমন সাশ্রয় হচ্ছে তেমনি মেধা পাচারের হাত থেকে রক্ষা করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে এবং নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব ঘুচিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে।

(২) দেশের প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ শিক্ষায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় এক মাইল ফলক সৃষ্টি করে দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষার স্বীকৃতি অর্জনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান দিন দিন উন্নতির দিকে যাচ্ছে। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ২৫০০০ ছাত্র ছাত্রী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর প্রায় সকর উন্নত দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাদের শিক্ষা ও গভেষণা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি রয়েছে। এছাড়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ রয়েছে। ৪০,০০০ এলামনাই দেশী বিদেশে কর্মরত আছে।

(৩) বাংলাদেশের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ এর আওতায় ট্রাষ্টিগণ কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য আইনের বিধান আছে। তাই বিদ্যুৎসাহী ট্রাষ্টিগণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে তাদের মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালাননার জন্য অর্থের সংস্থান করে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে। আইনেও তাই বিধান আছে।

(৪) বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ ও রেগুলেটরী সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এর আওতায় ট্রাষ্টিগণ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করে। বেসরকারী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সরকারের কোন হস্তক্ষেপ হলে উচ্চ শিক্ষা প্রসারে বাধা সৃষ্টি করবে এবং ভবিষ্যতে বেসরকারী খাতের উদ্যোক্তারা নিরুৎসাহিত হলে দেশের উচ্চ শিক্ষার প্রসার বেহত হবে সেই সাথে ২০৪১ সাল নাগাদ সরকারের রূপকল্প ৪১ বাংলাদেশকে উন্নত দেশের অবস্থানের আসীনে লক্ষ্য বেহত হবে।

মুক্তবাজার অর্থনীতি ও বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষণ যখন শুধুমাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত আসন নিয়ে চলার কারণে বহু শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছিল, তাতে যেমনি দেশের মূল্যবান বৈদেশিক মূদ্রা অপচয় হচ্ছিল তেমনি উচ্চ শিক্ষার পর উন্নত ও প্রাশ্চাত্য দেশের ভাল কর্মসংস্থানের সুযোগে মেধা পাচার হয়ে দেশে মেধাবী শিক্ষিত জনগোষ্ঠী থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। ঠিক সেই সময় কতিপয় বিদুৎসাহী এবং শিল্পপতি ১৯৯২ সালে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগের প্রয়াস আজকের দেশের প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটি নর্থ তার পদযাত্রায় বিগত ৩০ বছর ট্রাষ্টিদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃত। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় রেংঙ্কিং সংস্থা কিউ এস রেঙ্কিং এর মানদন্ডে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সেরা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে বহুবার। এমনকি বাংলাদেশের সরকারী বেসরকারী ১৬২টি বিশ্ববিদ্যালয় সংযুক্তভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালরে পর নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটি তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ট্রাষ্টি সদস্যদের অনুদান ও আর্থিক সহায়তায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও পরিচালিতহয়। সরকার তার নিজস্ব কোষাগার থেকে কোন আর্থিক সহায়তা দেন না। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন রেগুলেটরী বডি হিসাবে শিক্ষার নীতিগত সহায়তা দিয়ে থাকেন। বর্তমানে দেশে ১০৮টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫ লক্ষ (পাঁচ লক্ষ) শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক মানের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ১৯৯১ সালে স্থাপনের পর থেকে এর ট্রাষ্টি সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ প্রায় ২৫০০০ শিক্ষার্থী দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। ইতিমধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০০০০ এলামনাই উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের পর দেশে বিদেশী আন্তর্জাতিক সংস্থা সহ গুগল, মাইক্রোসট, এ্যাপেল, ফেসবুক, নাসা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশী হিসাবে প্রতিনিধিত্ব করছে এবং উদ্যোক্তা হিসাবে দেশে বিদেশী বহু লোকের কর্মসংস্থান করছে। তেমনি কেম্ব্রিজ, ষ্টেনফোড, জনস হপসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটি আজ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার অবদানের জন্য সর্বজন স্বীকৃত। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের এই কৃতিত্বের যেমন দাবীদার এর মেধাবী শিক্ষার্থী, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ আর সবশেষ যাদের ত্যাগ তিতিক্ষার ফসল এই প্রতিষ্ঠান তারা হচ্ছেন এর প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টিবৃন্দ। সারাবিশ্বে জনতিতৈশী ও দানশীল তথা ট্রাষ্টিদের সরকারীভাবে সম্মানিত করা হয়Ñতাতে তারা উৎসাহিত হয়ে সমাজ সেবা তথা জনহিতৈসী প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে দেশকে উন্নয়নের সিঁড়িতে নিতে পারে। বাংলাদেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাষ্টিগণকে অনেক সময় বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনও দশটা কাজের মধ্যে একটা ভুল হতে পারে, কিন্তু বৃহৎস্বার্থ বিবেচনায় মূল্যায়ন করা উচিত। তা না হলে জনহিতৈষীরা সমাজ সেবা মূলক কর্মকান্ডে নিরুৎসাহিত হলে দেশের উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ হবে। সম্প্রতি তেমন একটি বিষয় নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটির আবাসিক পুর্নাঙ্গ ক্যাম্পাস তৈরীর জন্য জমি কেনা নিয়ে উক্ত এলাকার সরকারী মৌজা মূল্যের কিছু বেশী দামে জমি কেনা হয়েছে অভিযোগদে দূর্নীতি দমন কমিশন

অভিযোগ তুলে ট্রাষ্টিদের নামে মামলা করেছে। এখানে উল্লেখ্য, আমরা সবাই জানি কোন জমিরা মূল্য নির্ধারন নয়, উক্ত জমির অবস্থান প্রকল্পের জন্য সবদিক বিবেচনায় তার সুবিধা এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় একই মৌজায় ভিন্ন দাম হতে পারে। তাছাড়া ছোট আয়তনের জমি আর বড় প্রকল্পের জন্য বড় জমি এক দাম হয় না তাছাড়া বড় প্রকল্পের জন্য বড় জমি পাওয়া যেমন দুষ্কর তার দামও এক হতে পারে না। তাছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রয়কৃত জমিটি পূর্বাচল আধুনিক নতুন শহরের প্রকল্পের ৫০০ মিটার দূরে অবস্থিত যার কাছেই মেট্রারেল ষ্টেশন হওয়ার জন্য নির্ধারন করা হয়েছে। তাছাড়া নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প এলাকাটি বর্তমান বসুন্ধরা ক্যাম্পাস থেকে গাড়ীতে ১০ মিনিটি দূরত্বে যা দুটা ক্যাম্পাসে যোগাযোগে অনেক সহায়ক হবে। তাছাড়া পূর্বচল নতুন শহরের আবাসিক ছেলে মেয়েদের জন্য আদর্শ উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থাকবে। ২০১৪ সালে উক্ত জমি ক্রয় করা হলেও কোন এক স্বার্থন্বেসী কুচক্রী মহলের ইন্দনের ৮ বছর পর দূর্নীতি দমন কমিশন মামলা রুজু করেছে। সকল সক্রিয় ট্রাষ্টিদের নামে মামলার কারণে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টি নানভাবে সমস্যায় জর্জরীত হতে যাচ্ছে। একজন বিদেশী উপচার্য তার নির্ধারিত সময়ের নিয়োগের ভিত্তিতে এককভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হতে থাকলে অচিরেই এই বিশ্ববিদ্যালয়টি তার অর্জিত গৌরবের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে তাতে দেশের উচ্চ শিক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এখানে উল্লেখ বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে সরকারের অহেতুক সরাসরি হস্তক্ষেপ হলে বেসরকারী উদ্যোক্তারা নিরুৎসাহিত হবে তাতে দেশের উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ হবে।

এখানে উল্লেখ্য যে, নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটির নতুন আবাসিক ক্যাম্পাস নির্মাণে পূর্বাচল প্রকল্প যে জমি ১০ লক্ষা টাকা কাঠা কেনা হয়েছে তা ৩০০ ফিট পূর্বাচল প্রকল্পেটর সঙ্গে যেখানে পূর্বাচল প্রকল্পের জমি কাঠা প্রতি ৫০ লক্ষ টাকা আরও উল্লেখ্য একই ডেভেলপার কোম্পানী থেকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৩০০ ফিট পূর্বাচল হাইওয়ের ২ মাইল দক্ষিণে জমি কিনেছে প্রতি টাকা ৯.০০ লক্ষ টাকা টাকা দরে। আরও উল্লেখ্য নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটির বসুন্ধরার আরবান ক্যাম্পাসটি ২০০৪ সালে তৈরীর নকশা করা হয়েছিল ১০-১২০০০ শিক্ষার্থীর ক্যাম্পাস হিসাবে। সেই ক্যাম্পাসে এখন ২৫০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে স্থান সংকোলন না হওয়ায় বর্তমান ক্যাম্পাসের পাশে জমি কেনার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান ক্যাম্পাসের পাশে জমির দাম কাঠা প্রতি ১.৫০ Ñ ২.৫০ কোটি টাকা যা ক্রয়কৃত জমির দামের ২০ গুন। তাছাড়া একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাসের জন্য বৃহৎ আকারের জমি পওয়া কল্পনা অতীত। উল্লেখ্য ক্রয়কৃত পূর্বাচল নতুন জমিতে একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নির্মানের জন্য নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটির ট্রাষ্টিগণ এক বৃহৎ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে একং মে অনুযায়ী কাজ আগাচ্ছে। কিন্তু স্বার্থন্বেসী মহলের স্বার্থ চরিতার্থে দুদককে দিয়ে মামলা করার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবউজ্জল সুনাম ব্যাহত হবে তাতে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অন্তরায়ে জাতি উচ্চশিক্ষায় বাধাগ্রহস্থ হবে। সেই সাথে অন্যান্য বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তারা নিরুৎসাহিত হলে দেশের উচ্চশিক্ষা বাধাগ্রস্থ হবে।

এর আগেও নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটির দুজন বহিস্কৃত ট্রাষ্টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকান্ডে বাধা দিয়ে উন্নয়ন ব্যাহত করাতে চেষ্টা করেছিল এর প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট প্রশাসক / এডহক ট্রাষ্ট বোর্ড গঠনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আইনের ব্যাত্তয় ঘটিয়ে ট্রাষ্ট কর্তৃক পরিচালিত কোন প্রতিষ্ঠান ট্রাষ্টিদের বাদ দিয়ে অন্য কোন প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে চালানোর কোন বিধান না থাকায় সে চেষ্টাও তাদের ব্যার্থ হয়েছে। মুক্তবাজার অর্থনীতি ও বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে সরকার নীতিগত সহযোগিতা দিয়ে বেসরকারী খাতে ব্যবসা দাতব্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেলে বেসকারী উদ্যোক্তরা তাদের শ্রম ও বিনিয়োগে দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ