শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

সাতখামাইর ছাড়তে চান না ফরেস্টার নোয়াব

মাহাবুর রহমান, গাজীপুর!!
প্রকাশকালঃ বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২

সাতখামাইর ছাড়তে চান না ফরেস্টার নোয়াব

মাহাবুর রহমান, গাজীপুর:: গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জাধীন সাতখামাইর বিট সহযোগী কর্মকর্তা নোয়াব হোসেন সিকদারকে একই রেঞ্জের সিংরাতলী বিট কর্মকর্তা হিসাবে বদলি করা হয়েছে। অপরদিকে বিট ট্রেনিংয়ে আসা রেঞ্জার ফজলুল হক কে চার্জ বুঝিয়ে দিচ্ছে না তিনি।

১লা আগস্ট সোমবার, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্রে বদলির আদেশ জাড়ি করা হয়েছে। বদলি আদেশ জারির দশ দিন পেরোলেও সাতখামাইর বিট ছাড়তে চাচ্ছে না ফরেস্টার নোয়াব হোসেন সিকদার।

উল্লেখ্য আছে ঢাকা বন বিভাগের বন অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় অঞ্চল দপ্তরে কর্মরত প্রধান সহকারী আবুল কালাম আজাদের ভগ্নিপতি ফরেস্টার নোয়াব হোসেন সিকদার। তার আরেক শ্যালক গাজীপুর ভাওয়াল রেঞ্জাধীন রাজেন্দ্রপুর পশ্চিম বিট কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত আছেন। সেই ক্ষমতাবলে শত অনিয়ম, দূর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছে নোয়াব হোসেন শিকদার। শাস্তির পরিবর্তে একই রেঞ্জের সিংরাতলী বিট কর্মকর্তা হিসাবে প্রমোশন বদলি করা হয়েছে।

সরকারি সম্পদ রক্ষায় ব্যর্থ, ঘুষ বাণিজ্য থেকে শুরু করে একাধিক অনিয়মের সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পরও নোয়াব হোসেন সিকদারের চাহিদা অনুযায়ী প্রমোশন বদলি অপরাধে সায় দেওয়া নয় কি। প্রশ্ন থাকে তাহলে কি বন বিভাগের কর্মকর্তারা অপরাধ করলেই পানিশমেন্ট এর বদলে প্রমোশন হয়।

এসিএফ রেজাউল আলম শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মীর বজলুর রহমান ও ফরেস্টার নোয়াব হোসেনের দূর্নীতি তদন্তে যতবার এসেছেন ততবার নাটকীয় তদন্ত শেষে গোপনে পকেট ভরে গেছেন। উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে নয়ছয় বুঝিয়ে তদন্তের দায় সাড়েন দায়ীত্বশীল এই কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ