বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ১২:৪০ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কক্সবাজারে পর্যটক সেজে দালাল চক্রের ১৯ সদস্য আটক করল পুলিশ

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার।।

কক্সবাজার শহরের কলাতলী ডলফিন মোড়ে আবাসিক হোটেল কেন্দ্রীক দালাল চক্রের ১৯ জনকে আটক করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। পুলিশ সদস্যরা পর্যটক সেজে শুক্রবার (৫ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে তাদের আটক করেন।
আটকরা হলেন- জাফর আলম (৩৮), মো. আব্দুলাহ (১৮), ইসমাইল (২৪), ইব্রাহীম (৩৭), নুর আলম (২৬), চাঁদ মিয়া (১৯), নজু আলম (৩৫), রুবেল (২৬), জুয়েল মিয়া (৩২), সাদেকুর (২৬), সৈয়দ নুর (৩০), সাহিদ (২৬), হেলাল উদ্দিন (৪০), সাগর (২৩), গিয়াস উদ্দিন (৩৩), সৈয়দ আলম (৩৬), মো. হোসেন (৪৭), রবিউল হাসান (২০) ও ইমরান (২১)।
আটকরা দীর্ঘ দিন ধরে পর্যটক হয়রানী, ছিনতাই, ব্ল্যাকমেইলিংসহ পর্যটক হয়রানী করে আসছিল।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা পর্যটক সেজে এসব দালালদের আটক করেন। দালাল চক্র দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের অটোরিকশার চালকরা আবাসিক হোটেল খুঁজে দেওয়ার নাম করে নিম্নমানের রুম দিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করত।

এই চক্রের সদস্যরা শেষ রাত থেকে ডলফিন মোড়ের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করত। তাদের কেউ কেউ অটোরিকশা চালক হিসেবে পর্যটকদের অল্প ভাড়ায় ভালো হোটেলে নিয়ে যাবে বলে তাদের চুক্তি করা হোটেলে নিয়ে যেত এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ ব্ল্যাকমেইল করে আসছে। এই চক্রের কিছু সদস্য পর্যটকদরর ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি তুলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও আছে। গত কয়েক বছর ধরে এ চক্রটি কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের পতিতালয়ে নিয়ে ফাঁদে ফেলে সর্বশান্ত করত বলে জানান তিনি ।

তিনি আরও বলেন, চক্রের সদস্যদের ভাড়া করা কটেজে নিয়ে নিরীহ মানুষদের আটক রেখে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবিও করত। আর দাবি করা টাকা দিতে অস্বীকার করলে চক্রের নারী সদস্যদের সঙ্গে ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি তুলে ভয় দেখিয়ে তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদায় করত চক্রটি।
এই চক্রটির সদস্যরা ভোরে কলাতলি ডলফিন মোড়ের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে। পরে পর্যটকরা বাস থেকে নামার সাথে সাথে তাদের ব্যাগ লাগেজ নিয়ে টানাটানি করে। একপর্যায়ে জোরপূর্বক হোটেলের রুম নিতে বাধ্য করে তারা। বিভিন্ন সময় পর্যটকদের হোটেল দেখিয়ে দেওয়ার নাম করে নির্জন জায়গায় নিয়ে তাদের সব কিছু লুট করে নেয় তারা। এসব দালালদের নিয়ন্ত্রণ করে চারটি গ্রুপ। এই গ্রুপে সরকার দলীয় কিছু ব্যক্তিও রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, এসব বিষয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আমাদের নজরে আসে। আমি আমার টিম নিয়ে পর্যটকদের ছদ্মবেশে এই অভিযান পরিচলনা করি। আটকরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন- তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কাজ করছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ