বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ১২:১৯ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কক্সবাজারে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় ২৫ লাখ টাকার চারা বিক্রি

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার।।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ আয়োজিত ১০ দিন ব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় শেষ হয়েছে।

মেলায় অংশ নেয়া নির্বাচিত নার্সারী মালিকদের মাঝে পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান এবং সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের লভ্যাংশের চেক হস্তান্তর করা হয়।

২ আগষ্ট ( মঙ্গলবার) বিকাল ৫ টায় কক্সবাজার শহীদ দৌলত ময়দানে অনুষ্ঠিত সমাপনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সারওয়ার আলম।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহিদ ইকবাল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকার।উত্তর বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক ড.প্রান্তোষ চন্দ্র রায়ের স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ধোয়াপালং রেঞ্জের খুনিয়াপালং ও ধোয়াপালং বিটে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে লভ্যাংশের ১ কোটি ৭৪ লাখ টাকার চেক তুলে দেন অথিতিরা। মেলায় অংশ নেয়া নির্বাচিত ৩ টি নার্সারী মালিককে ক্রেস্ট ও সম্মাননা দেয়া হয় ।
অনুষ্ঠানে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক শ্যামল কুমার ঘোষ, এ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান, নেকমের ডেপুটি ডিরেক্টর ডক্টর শফিকুর রহমান, দক্ষিণ বনবিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা, ধোয়াপালং রেঞ্জে কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসাইন, মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা রিয়াজ রহমানসহ বনবিভাগের বিট কর্মকর্তা, স্টাফ এবং দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন। দুই বছর পর অনুষ্ঠেয় বৃক্ষমেলা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছিল বলে জানান অংশগ্রহণকারীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ