বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

ষাটগম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনে তুরষ্কের রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২

ষাটগম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনে তুরষ্কের রাষ্ট্রদূত।

সোহেল রানা/বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:

বাগেরহাট: বাগেরহাটে অবস্থিত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান।

রবিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বেসরকারি একটি শিল্পগোষ্ঠীর আমন্ত্রণে হেলিকপ্টারে করে বাগেরহাটে আসেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরানের সঙ্গে তার ছেলে মেহমাদ আল্ফ তুরানসহ উপস্থিত ছিলেন, আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান সেখ নাসির উদ্দিন, বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাফিজ আল আসাদ, জেলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম, বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. যায়েদ, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া হয়ে বাগেরহাটে পৌঁছান রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান।

বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ভ্রমণ শেষে দুপুর দেড়টার দিকে হেলিকপ্টারে বাগেরহাট থেকে যশোরের নওয়াপাড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি।

ষাটগম্বুজ ত্যাগের পূর্ব মুহূর্তে রাষ্ট্রদূত ওসমান তুরান বলেন, ১৫০০ শতকের অসাধারণ নিদর্শন এই মসজিদ।

৬০টি পিলারের ওপর অসংখ্য গম্বুজ আবৃত্ত মসজিদটি দুর্দান্ত একটি ইসলামিক স্থাপত্য। এই স্থাপনা বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধি করে। এটি মুসলিমদেরও অন্যতম ঐতিহ্য। ষাটগম্বুজ ও ওই সময়কার অন্যান্য স্থাপনা দিয়ে বোঝা যায়, ৬০০ বছর আগেও বাংলাদেশে মসুলিমদের বসবাস ছিল মানবকল্যাণে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ