বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করলো ইরান

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২

যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করলো ইরান।

হাকিকুল ইসলাম খোকন/যুক্তরাষ্ট্র সিনিয়র প্রতিনিধি:

মোজাহিদিন-ই-খালেক (এমইকে) সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইরানের ক্ষমতাসীন সরকার।গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক ৬১ কর্মকর্তার একটি তালিকা প্রকাশ করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।ইরান সরকার মোজাহিদিন-ই-খালেক (এমইকে) সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। ওই সংগঠন প্রকাশ্যে ইরানের বর্তমান সরকারকে উৎখাতের ঘোষণা দিয়েছে।এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কালো তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা এমইকে সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল। এছাড়া, তাদেরকে রাজনৈতিক বা অপপ্রচারমূলক কর্মকাণ্ডে তারা সহায়তা করেছেন।যদিও ইরান সরকারের এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘প্রতীকি’ বলে ধরা হচ্ছে। কারণ ইরানে নিষেধাজ্ঞার আওতায় ৬১ যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ইরানে কোন সম্পদ নেই এবং তারা কখনো ইরান ভ্রমণ করেননি।

ইরান সরকারের মতে, গত কয়েক দশকে শিশু ও নারীসহ ১৭ হাজারের বেশি ইরানের নাগরিককে হত্যা করেছে এমইকে।

১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের সমর্থক ছিল এমইকে। কিন্তু পরে তারা দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধান বিরোধী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

এমইকে বহু মানুষকে হত্যা এবং বোমা হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া, ১৯৮০ সালে ইরানে আট বছর ধরে চলা অভিযানে সাদ্দাম হোসাইনকে সাহায্য করে। এমনকি সাদ্দামের পক্ষেও যুদ্ধ করে সংগঠনটি।

যদিও এমইকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনের তালিকায় ছিল। কিন্তু এক দশক আগে সংগঠনটিকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হয়।

তারপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বিশেষত রিপাবলিকানরা প্রকাশ্যে এমইকে সংগঠনের বিভিন্ন সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। এমনকি এমইকে দলের প্রতি নিজেদের সমর্থনও প্রকাশ করেন।

ওই সংগঠনটি বহু ইউরোপীয় দেশ যেমন ফ্রান্, সুইডেন, আলবেনিয়াতে ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সমাবেশ করেছে।

ইরান সরকারে অভিযোগ, এমইকে সংগঠনের সমাবেশের অনুমতি দিয়ে ‘সন্ত্রাসী’ কর্মকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওই দেশগুলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ