শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

হাসনা আবেদীন এর গল্প: দোদুল্যমান রাজার দূরদর্শিতা

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০২২

দোদুল্যমান রাজার দূরদর্শিতা

হাসনা আবেদীন 

এক দোদ্যুল্যমান রাজ্যে সংগ্রামী রাজা একাই বসবাস করতো। নানান প্রতিকূল পরিবেশ ছিলো তার নিত্যদিনের সঙ্গী।
কেননা কালে কালে বা ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিনি তার জীবনে সকল প্রিয় জিনিস হারিয়ে ফেলেছেন। সব হারিয়ে যে তার হারানোর ভয় আর কিছুই ছিলোনা। তাই তিনি শুধু ভাবতেন নিজেকে এবং এই রাজ্যকে কিভাবে আরেকটু সমৃদ্ধ করা যায়।
নিজের রাজ্যের পরিবেশ ও এই চারপাশের মানুষগুলোকে কিভাবে পরিবর্তন করা যায়। কেননা সেই রাজ্যের প্রজাদের কাজই ছিলো অরাজকতা সৃষ্টি করা। কি করিলে যে সুখ আসিবে এই রাজ্যে, উনি ভেবেই পেতেন না। তাই সদায় তিনি বিচলিত থাকতেন।

একদিন এই ভেবে ভেবে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠায় তিনি বিশ্ব ভ্রমণে বেড়িয়ে পড়লেন। কেননা তিনি জানতেন গ্রন্থগত বিদ্যায় যে শিক্ষার মূল চাবিকাঠি নয়। নিজ রাজ্য ও নিজেকে পরিচালনা করতে আবেগ দিয়ে নয় বিবেগ দিয়ে যে পরিবর্তন করতে হবে। কথায় আছে যতই দেখিবে জ্ঞানঅর্জন করিবে।

যাক যেই কথা তার সেই কাজ। তাকে কি কেউ আর দমিয়ে রাখতে পারে, কেননা সে যে এই অস্থির সময়ের পরিবর্তন এর পথ খুজছিলেন।

বহুদিন পর, জ্ঞনার্জনের একটা সময় মায়াবঙ রাজ্যের এক রানীর সাথে তার দেখা। কালক্ষেপণ এ তাদের সম্পর্কের শুরু ভালোবাসা দিয়ে হলেও অবশেষে তারা আবদ্ধ হয় বিয়েতে। এর বছর খানেক পর তাদের সুখের সংসার হলো। কিন্তু সেখানেও প্রজারা মেলা ঝামেলা করতো। তবুও রাজা রানীর ভালোবাসায় তীব্র শক্তি থাকায় পৃথিবীর কোনো অশুভ শক্তি তাদের আলাদা করতে পারেননি।
অবশেষে তাদের ঘর আলো করে এলো দুটি রাজপুত্র।রানী, রাজপুত্র এবং রাজ্যের প্রজাদের নিয়েই তার
তার দিন বেশ ভালোই কেটে যেতো।

কিন্তু রাজার সুখ বেশিদিন আর কপালে সইলো না।
কেননা রাজ্যের উন্নয়নে যে রাজা দিনের দিনের পর কাজ করে গেছেন, তার সময় অর্থ সব ব্যয় করেছেন, এমনকি নিজের স্বর্বস্ব পর্যন্ত বিলিয়ে দিয়েছেন।

অবশেষে সেই প্রজাদের কাছ থেকে তার প্রতিদান ছিলো আঘাত, সে কেবলই আঘাত। দিনশেষে তাদের প্রতিদান ছিলো শুধুই অপবাদ। যা তিনি ভাষায় ও প্রকাশ করতে পারেন নি। শুধু ভেবেই গেলেন আর অবাক হলেন, তো এতদিন কি আমি শুধুই মরিচীকার পিছনে ঘুড়েছি।

নিজের বিবেকের কাঠগড়ায় নিজেকে দাড় করিয়ে, তিনি আর বিচার খুজে পাচ্ছিলেন না। কেননা ধোকার বদলে ধোকা পাওয়াটা যে স্বাভাবিক তা মানা যায়।
কিন্তু ভালোবাসার বদলে যে ধোকা এই বড় প্রতারণা প্রজাদের কাছ থেকে উনি আর মানতে পারেননি।

অবশেষে মনের দুঃখে কষ্টে রাজা তার রানী আর রাজপুত্রদের নিয়ে সে রাজ্য ত্যাগ করলেন।

চলবে….


আপনার মতামত লিখুন :

One response to “হাসনা আবেদীন এর গল্প: দোদুল্যমান রাজার দূরদর্শিতা”

  1. Murad says:

    গ্রেট initiative
    But
    হেডলাইন ঠিক করে অনেক সময় নিয়া লিখা রেডী করলে মনে হয় আরেকটু আকর্ষণীয় হতো

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ