রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

চরফ্যাশনে খালের পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে কালভার্ট নির্মাণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ভোলা
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২২

চরফ্যাসন পৌর সদরের মান্দারতলী খালের শাখা মানিকখালী খালের পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে ব্যক্তিগত ভাবে নিজ বাড়ির পথের জন্য কালভার্ট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মামুন নামের এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। পৌর সভার অনুমতি নেয়ার কথা থাকলেও পৌর সভার কর্মকর্তাদের বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে কালভার্টটি নির্মাণ করেছেন বলে জানা গেছে। কালভার্ট নির্মাণের ফলে খালের পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পরেছে ওই এলাকার মানুষ। পৌর সভা ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী মনির ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করলেও কোন ব্যবস্থা নেননি বলে এলাকাবাসী জানান।
পৌর সভা সুত্রে জানা যায়, পৌর সদরে ছোটো খাল বা জলাশয় দখল করে ব্যক্তিগত ভাবে স্থাপনা ও কালভার্ট নির্মানের কারো বৈধতা নাই। যদি কেউ জবরদখল করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার বৈধতা রয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষের।
এলাকা সুত্রে জানাযায়, পৌর সদরের আদর্শপাড়া গ্রামের জিন্নাগড় ইউনিয়নের মান্দারতলী খালের শাখা মানিকখালী খালটি পৌর সদরের সাথে সংযুক্ত হয়। ওই খালটি পৌর সদরের পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি বাহক হিসেবে রয়েছে। এবং ওই এলাকার কৃষি চাষাবাদের পানি  নিষ্কাশনের জন্য এই খালটিই একমাত্র ভরসা। সম্প্রতি সময়ে ওই এলাকার বাসিন্ধা কাঞ্চন মিয়ার ছেলে মামুন মানিকখালী খালের পানি সরবরাহ বন্ধ করে নিজ জমির পথের জন্য একটি কালভার্ট নির্মান করেন। এতে ওই খালের পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়। পৌর সদরের ওই এলাকার পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পরেছে গ্রামবাসীরা। এ বিষয়ে গ্রামবাসীরা উপজেেলা প্রশাসনকে অবগত করেও কোন সুফল পাননি বলে জানান।
অভিযুক্ত মামুন জানান, ওই খালের ওপরে পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ)সহ স্থানীয় এলাকাবাসী চলাচলের জন্য বাধ দিয়েছেন। আমিও একটি কালভার্ট নির্মান করেছি। যদি পৌর সভার প্রয়োজনে পৌর কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেয় তাহলে আমার কিছুই করার নাই। আমার ইটগুলো আমাকে দিয়ে গেলেই হবে।
কাউন্সিলর কাজী মনির জানান,কালভার্ট নির্মাণের বিষয়টি দেখে এসেছি। পৌর সভার অনুমতি ছাড়া এভাবে ব্যক্তিগত কালভার্ট নির্মাণ করা তার বৈধতা নাই। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ