শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

‘সাংবাদিকদের জন্য সুখকর হলে পত্রিকার সঠিক প্রচার সংখ্যা প্রকাশ করা হবে’

সাইফুল শুভ
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২২

সাংবাদিকদের জন্য সুখকর হলে পত্রিকার সঠিক প্রচার সংখ্যা প্রকাশ করা হবে -ডিজি ডিএফপি

যদি সাংবাদিকদের জন্য সুখকর হয়, তাহলে ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর সঠিক প্রচার সংখ্যা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া। বর্তমান প্রচার সংখ্যা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন।

গত ২৪ এপ্রিল ডিএফপির পরিচালক রোকসানা আক্তার স্বাক্ষরিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর প্রচার সংখ্যা, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের চিত্র ও বিজ্ঞাপনের হার প্রকাশ করা হয়। এ তালিকায় অনেক পত্রিকার নাম রয়েছে, যার নাম অনেক সাংবাদিক নিজেও জানেন না বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা করা হয়েছে। যেখানে

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদ ইলিয়াস খান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রথম সারির ৩০ ক্রম ধারার পত্রিকার তালিকা দিয়ে এটিকে মিথ্যাচার বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেন ‘মিথ্যাচারের সীমা নেই….’

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যুগ্ম সম্পাদক খাইরুল আলম ফেসবুকের মিডিয়া ওয়াচ গ্রুপে একই তালিকা প্রকাশ করে এটিকে ‘বাটপারি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এই ধরনের পরিসংখ্যান আর কত সহ্য করতে হবে?’

সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী সবার্ধিক প্রচার সংখ্যা রয়েছে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর। পত্রকাটির প্রচার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩০০। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দৈনিক প্রথম আলো, তাদের প্রচার সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ৮৮১। তৃতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, ইত্তেফাক, আমাদের সময় ও জনকণ্ঠ, সবগুলো পত্রিকার প্রচার সংখ্যা দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার ২০০। এটি নিয়ে এসব পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিকরাও সমালোচনা করে বলছেন এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ফরমায়েশি হিসাব।

এ বিষয়ে জানতে ডিএফপির মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়ার কাছে জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রতিবদনকে বলেন, ‘তালিকাটি অনেক আগে থেকেই এভাবে চলে আসছে। এটি নতুন কিছু নয়। প্রচার সংখ্যা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলেও স্বীকার করেছেন। যদি সঠিকভাবে তালিকা তৈরি করা হয়, তাহলে ঢাকায় ১০টির বেশী পত্রিকা টিকবে না, যাদের বিজ্ঞাপনের হার ৯০০ টাকা হবে। যদি সাংবাদিকরা চান অথবা সাংবাদিকদের জন্য সুখকর হয়, তাহলে প্রকৃত প্রচার সংখ্যাসহ তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ নিবে ডিএফপি। ইতিমধ্যেই ইংরেজি পত্রিকার প্রচার সংখ্যায় হাত দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে বাংলা পত্রিকার তালিকাতেও হাত দেয়া হবে।’

বর্তমানে ঢাকা থেকেই ২৪৮টি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ঢাকার বাইরে সারাদেশ থেকে ৩০৩টি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। বর্তমানে দেশে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ৫৫১টি। এর মধ্যে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না করেও নাম মাত্র ৬ থেকে ৭ হাজার প্রচার সংখ্যা দেখিয়ে ৩৫০ টাকা হারে সরকারি বিজ্ঞাপন পাচ্ছে। ঢাকার ১২৪টি পত্রিকায় ৮ম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ