মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

যুক্তরাজ্যের ইউসিএ’র কালো তালিকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০২২

যুক্তরাজ্যের ইউসিএ’র কালো তালিকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি।

রকিবুল হাসান/কুবি প্রতিনিধি:

সম্প্রতি যুক্তরাজ্য কমিউনিটি ভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশের ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্তরাজ্যের ইউসিএ কালো তালিকাভুক্ত করেছে এমন সংবাদ প্রচার করে। সেখানে ‘কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। যা নিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যযনরতদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি এই নামটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়।
জানা যায়, সম্প্রতি দেশের ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটধারীরা যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি ফর দ্যা ক্রিয়েটিভ আর্টস (ইউসিএ) সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মূল্যায়নের যোগ্যতা হারিয়েছেন বলে সংবাদ প্রচার করেন 2A News নামের একটি গণমাধ্যম। সেখানে দেখা যায় ‘Cumilla University’ নামের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। সংবাদ প্রচারের পর থেকে এনিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছেন এই ‘Cumilla university’ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নয়। কারণ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি নাম ‘Comilla University’।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ডেপুটি রেজিস্ট্রার বিপ্লব মজুমদার বলেন, ওই ওয়েবসাইটে যে ‘Cumilla University’ এর নাম রয়েছে সেটি আমাদের ‘Comilla University’ নয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি নামের স্পেলিং ও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের স্পেলিং এক নয়। এছাড়া আমাদের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া আছে। তারা হয়তো ভুলে এমনটা করতে পারে। বিষয়টি যেহেতু প্রশাসনের নজরে এসেছে যোগাযোগ করে কি ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেটি আমরা দেখবো।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম প্রকাশ করেছে সেটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় না। ইংরেজি নামের স্পেলিং দেখলে সেটা বুঝতে পারবে। আমরা ইউজিসিকে বিষয়টি জানাবো এবং ‘Cumilla University’ নামের কোন বিশ্ববিদ্যালয় থাকলে সেটার নাম পরিবর্তন করতে বলব। তিনি আরও বলেন, ইউসিএ কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি স্পষ্ট করে জানাবো যে তথ্যে প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নয়।
গত শুক্রবার টুএ নিউজ নামের এ সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়কে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। ওই ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যের এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন না। তবে ৪ এপ্রিলের আগে বাংলাদেশি যেসব শিক্ষার্থী আনকন্ডিশনাল অফার লেটার পেয়েছে তারা পড়তে পারবেন ব্রিটেনের এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে।
টুএ নিউজের সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ কাউন্সিল অনুমোদিত এসএ এক্সপ্রেসের ডিরেক্টর আনিছুর রহমান বলেন, অনেকদিন অনুসন্ধানের পর আমাদের একটি মেইল পাঠিয়েছেন তারা। বাংলাদেশের ৫টি ইউনিভার্সিটির কোন ডিগ্রি এ ইউনিভার্সিটি গ্রহণ করবে না। আমার জানা মতে আরও অনেক ইউনিভার্সিটিও এই ইউনিভার্সিটিগুলোকে কালো তালিকা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে শিক্ষার্থী ইউসিএ তে ভর্তি হচ্ছে। তাই তারা ইনভেস্টিগেশন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটধারীরা যুক্তরাজ্যে জন্য মূল্যায়নের যোগ্যতা হারিয়েছেন:
দ্যা রয়েল ইউনিভার্সিটি অফ ঢাকা, দ্যা ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা, অতীশ দীপঙ্কর সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ