শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ‘প্যাক’র ইফতার মাহফিলে আইন প্রয়োগকারি সংস্থার বাধা

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ‘প্যাক’র ইফতার মাহফিলে আইন প্রয়োগকারি সংস্থার বাধা

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পিপল’স এক্টিভিস্ট কোয়ালিশন (PAC) প্যাকের ইফতার মাহফিলে আইন প্রয়োগকারি সংস্থার বাধা।

গত ১৪এপ্রিল বৃ্হস্পতিবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘পিপল’স এক্টিভিস্ট কোয়ালিশন’ (প্যাক) কাওরান বাজার অবস্থিত একটি ভবনে দোয়া এবং ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। উক্ত মাহফিলের আয়োজন চলাকালে ইফতারের পূর্ব মুহুর্তে তেজগাও থানার ওসি, ডিবি তদন্ত,ডিজিএফ আই এর একজন কর্মকর্তা, ২জন এস আই সহ কয়েকজন সিভিল এবং পোষাকধারি প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা প্যাকের আয়োজন স্থলে প্রবেশ করে। তারা প্যাকের সদস্যবৃন্দকে হেনস্থা এবং জেরা করা শুরু করে। আয়েজন বন্ধ করতে হুমকি দিয়ে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।

এ সময় তারা বলে, ‘পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালি উৎসব। এটি উপলক্ষে কোনো ভাবেই ধর্মিয় অনুষ্ঠান ও ইফতার আয়োজন করা যাবে না। এই ইফতার মাহফিল আজকে অবশ্যই রাষ্ট্র বিরোধি কর্মকান্ড।’ তারা বলে, ‘ইফতার করলে অন্যদিন করবেন কিন্তু আজ পহেলা বৈশাখের দিন কোনো ভাবেই ইফতার করতে দেয়া হবে না।’ প্যাকের সদস্যবৃন্দ এ সময় ইফতার বন্ধ করতে রাজি না হলে তারা হুমকি ধামকি প্রদান করে। তারা বলেন পহেলা বৈশাখ বাঙালির উৎসব এটাকে ধর্মিয় করন করতে দেয়া হবে না। তারা এসময় বাঙ্গালি উৎসব পালন না করে মিলাদ মাহফিল করায় প্যাকের সদস্যদের সাম্প্রদায়িক বলে আখ্যা দেন। সবাইকে আলাদা ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আইন প্রয়োগকারি সংস্থা। তদন্তে কোনো তথ্য না পেয়ে তারা ইফতার মাহফিল বন্ধ করে চলে যেতে বলে। ইফতারের সময় হয়ে যাওয়ায় প্যাকের সদস্যরা তাদের নিকট ইফতার করে চলে যাওয়ার জন্য দাবি জানালেও তারা কোনো ভাবেই ইফতার করতে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়।

তারা ইফতার না করতে দিয়ে প্যাকের সদস্যদের জোরপূর্বক বের করে দেয়। সে অবস্থায় রোজাদার কর্মিরা ০৬ঃ২৩ এর পরিবর্তে শাহবাগ গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রায় ৭টার দিকে ইফতার করতে বাধ্য হয়।

পিপলস এক্টিভিস্ট কোয়ালিশন (প্যাক) এর জনসংযোগ কর্মকর্তা জাফরুল হাসান নাদিম দুঃক্ষ প্রকাশ করে বলেন যে, “মানুষের ধর্ম পালনের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সরকার এবং বাঙালি ফ্যাসিবাদে উজ্জিবিত প্রশাসনের অতি উৎসাহি এমন অচরনে প্যাক ক্ষুব্ধ এবং বিস্মিত। মানুষের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেয়ার দলিয় এবং সাম্প্রদায়িক এই আচরন বাংলাদেশে সহঅবস্থানের পরিবেশ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বিনষ্ট করছে। প্যাক জনগনের নিকট দায়বদ্ধ দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে সরকার এবং সাম্প্রদায়িক কর্মকর্তাদের এহেন কর্মকান্ডের জন্য ঘৃনা এবং ধিক্বার প্রকাশ করেছে। অবিলম্বে এমন সাম্প্রদায়িক কার্যক্রম থেকে প্রশাসনকে বের হয়ে আসার জন্য আহবান জানাচ্ছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ