মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

রোজায় সেহরি খাওয়া সুন্নত

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২

রোজায় সেহরি খাওয়া সুন্নত।

ড. আ.ন.ম এহছানুল মালিকী: রোজার উদ্দেশ্যে ভোর রাতের খাবারকে আরবীতে সুহুর সাহর বা সাহার, সেহেরি, সেহরি বলে। সেহরি শব্দটি হচ্ছে উর্দু যা বাংলায় প্রচলিত হয়ে গেছে। সারাদিন রোজার উদ্দেশ্যে উপবাস থাকার জন্য শেষ রাতে পানাহার জরুরী। এতে করে পানাহার থেকে বিরত থাকার পরিমানের মাত্রা হ্রাস করা হয়। শেষ রাতে না খেয়ে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানের কারণে শরীর অত্যাধিক দুর্বল হয়ে পড়বে। রোজার মাধ্যমে মানুষকে এত বেশী দুর্বল করা আল্লাহর উদ্দেশ্য নয়। এ কারণেই আল্লাহ দিনে আহার পানাহার নিষিদ্ধ করেছেন। তাই রাত্রে প্রয়োজনীয় খাবার খাওয়া খুবই যুক্তিসঙ্গত। সেহরি গ্রহণ করা সুন্নত। রাসুল (সা.) শেষ রাতে পানাহার করতেন এবং সোবহে সাদিক থেকে রোজা রাখতেন। সেহরি খাওয়ার মধ্যে যথেষ্ট সওয়াব, কল্যাণ ও বরকত রয়েছে। (সহিহ মুসলিম: ২৬০৩)।

সাহুর খাওয়াতে বরকত থাকার বিষয়টি অতি সুস্পষ্ট। কারণ এতে রাসুল (সা.) এর সুন্নাতের অনুসরণ করা হয়। এবং সাহুর খাওয়াতে রোজাদার সারাদিন শক্তিশালী থাকে। রাসুল (সা.) এর সুন্নাত হলো ফজরের কিছু পূর্বে সাহুর খাওয়া অর্থাৎ দেরীতে খাওয়া।

রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা শেষ রাতের থানা খাও তাতে বরকত রয়েছে। (বোখারী, মুসলিম)।

সেহরি খাওয়ার সুন্নত সময় হলো- একেবাওে শেষ সময়ে অর্থাৎ সুবহে সাদেকের নিকটতম পূর্ব সময়ে। সাহাবি যায়েদ ইবনে সাবেত (রা.) বলেন, আমরা আল্লাহর রাসুল (সা.) এর সঙ্গে সেহরি খেতাম। অত:পর ফজরের নামাজে দাঁড়াতাম। আমাদেও সেহেরি ও নামাজের মাঝে ৫০ আয়াত তেলাওয়াতের মতো দূরত্ব থাকতো। (সহিহ মুসলিম: ২৬০৬)।

হযরত ইবনে ওমর থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ ও ফেরেস্তারা সেহরী গ্রহণকারীর জন্য প্রার্থনা করেন। (তাবারানী) তাই গুরুত্ব সহকারে সেহরি গ্রহণ জরুরী। আল্লাহ আমাদের রাসুল সুন্নাতগুলো সঠিক ভাবে পালন করতে সহায় হোক। আমিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ