শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কাপাসিয়ায় চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি; দশ হাজার টাকা জরিমানা

মাহাবুর রহমান, গাজীপুর!!
প্রকাশকালঃ রবিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২২

কাপাসিয়ায় চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি ; দশ হাজার টাকা জরিমানা

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় খোলামেলা পরিবেশে অবৈধ ভাবে পশুর চামড়া পুড়িয়ে তৈরি করা হয় কয়লা। এনিয়ে গত বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ প্রতিবেদন’ ডটকমে ‘কাপাসিয়ায় চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি দুষিত হচ্ছে পরিবেশ’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার তিনদিন পর এক্সিকিউটিভ  ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া ইয়াসমিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারখানার শেয়ারি মালিক কে দশ হাজার টাকা জরিমানা ও একদিনের মধ্যে সকল মালামাল সরিয়ে নেয় এবং কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি দেখে শ্রমিক সহ শেয়ারি মালিক আল-আমিন পালিয়ে যায়।

রোববার দুপুরে উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের লোহাদী নসিংপুর এলাকায় সম্পুর্ণ অবৈধ ভাবে খোলামেলা পরিবেশে চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে পরিবেশ দূষণের দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অর্থদণ্ডের রায় দেন।

এসময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন কারখানা মালিক স্থানীয় মোহাম্মদ আলী মুন্সীর ছেলে আল-আমীন কে না পাওয়ায় তার স্ত্রীর কাছ থেকে জরিমানার দশ হাজার টাকা আদায় করেন এবং আল-আমীনের স্ত্রী ও চাচতো চাচা মোস্তুফাকে বলা হয় আল-আমীন যেন আগামিকাল সোমবার (একদিনের) মধ্যে এখানে রাখা সকল মালামাল সরিয়ে নিতে এবং বন্ধ করার নির্দেশ ।

জানা যায়, আল-আমীনের নেতৃত্বে তারই জমিতে গড়ে তোলা হয় চামড়া পোড়ানোর দূষণযজ্ঞ। চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার কারণে জীববৈচিত্রের ওপর পরেছে বিরূপ প্রভাব। চামড়া পোড়া জাঝালো কালো ধোঁয়া ও পঁচা দুর্গন্ধে সুস্থ্যপরিবেশ হয়ে যাচ্ছে অস্বাস্খ্যকর। এর ফলে স্বাসকষ্ট জনিত নানা রোগ ব্যাধিতে আক্রন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এখানকার জনসাধারণের। পোড়ানো চামড়ার কয়লা যখন দিনের বেলায় রোদে দেওয়া হয়, যখন কাঁচা থাকে তখন দূর্গন্ধটা বাতাশে ছড়ায় এবং খুবই খারাপ লাগে। শুকানোর পর গন্ধটা একটু কম লাগে। এথেকে শ্বাসকষ্টের মতো যে কোনো বড় রকমের রোগে আকরান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরেজমিন দেখাগেছে, পাশেই রাখা চামড়ার স্তুপ। চার ফুট গভীরের দুটি ডেংগী বসানো হয়েছে, তাতেই পোড়ানো হয় চামড়া। পরে পোড়া চামড়া আবার লোহার একটি মেশিনে ভেঙে শুকানো হয় রোদে। বস্তায় ভরে পাঠানো হয় বিভিন্ন কয়েল কারখানায়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া ইয়াসমিন ‘বাংলাদেশ প্রতিবেদন’ কে বলেন, এরকম ভাবে ওপেন প্লেসে চামড়া পোড়ানোর কোনো বিধান নেই, এতে পরিবেশের ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে। চামরা পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার কোনো অনুমোদন নেই। সম্পুর্ণ অবৈধ ভাবে খোলামেলা পরিবেশে চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৩ ধারা অনুযায়ী কারখানা মালিক কে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এবং একদিনের মধ্যে অর্থাৎ আগামিকাল সোমবারের মধ্যে সকল মালামাল সরিয়ে নিয়ে কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ