শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কাপাসিয়ায় চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

মাহাবুর রহমান, গাজীপুর!!
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২

কাপাসিয়ায় চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

কাপাসিয়ায় পশুর চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা হয়। এতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। রাত হলেই শুরু হয় চামড়া পোড়ানোর কাজ এবং এর নির্গত বিশাক্ত কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে আশপশে। পোড়ানো চামড়া আবার একটি মেশিনের সাহায্যে ভেঙে শুকানো হয় রোদে দূর্গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে দূষিত হয় পরিবেশ।

উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের লোহাদী নসিংপুর এলাকার মোহাম্মদ আলী মুন্সীর ছেলে আল-আমীনের নেতৃত্বে তারই জমিতে গড়ে তোলা হয় চামড়া পোড়ানোর দূষণযজ্ঞ। চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার কারণে জীববৈচিত্রের ওপর পরেছে বিরূপ প্রভাব। চামড়া পোড়া জাঝালো কালো ধোঁয়া ও পঁচা দুর্গন্ধে সুস্থ্যপরিবেশ হয়ে যাচ্ছে অস্বাস্থ্যকর। এর ফলে স্বাসকষ্ট জনিত নানা রোগ ব্যাধিতে আক্রন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এখানকার জনসাধারণের।

সরেজমিন জানা যায়, পাশেই রাখা চামড়ার স্তুপ। চার ফুট গভিরের দুটি ডেংগী বসানো হয়েছে, তাতেই পোড়ানো হয় চামড়া। পরে পোড়া চামড়া আবার লোহার একটি মেশিনে ভেঙে শুকানো হয় রোদে। বস্তায় ভরে পাঠানো হয় বিভিন্ন কয়েল কারখানায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ সরাসরি কোনো প্রতিবাদ করতে পারছিনা, কারণ আল-আমীনের সাথে প্রভাবশালী মহল জড়িত তাই। রাতে যখন চামড়া পোড়ানো হয় তখন ঘরে থাকা যায় না পঁচা দূর্গন্ধে, বমি আসে। পোড়ানো চামড়ার কয়লাা যখন দিনের বেলায় রোদে কাঁচা থাকে তখন দূর্গন্ধটা বাতাশে ছড়ায় এবং খুবই খারাপ লাগে। শুকানোর পর গন্ধটা একটু কম লাগে। শ্বাসকষ্টে ভূগছে এ এলাকার মানুষ।

স্থানীয় শামসুদ্দিন (ছদ্মনাম) একজন বলেন, গন্ধ পেটের ভেতরে যায়, খুব খারাপ পঁচা দূর্গন্ধ। এইটা বন্ধ না হলে খুবই অসুবিধা। এই কোম্পানি বন্ধ হওয়া দরকার।

চামড়া পোড়ানো শ্রমিক মনির বলেন, পঁচা গন্ধ তো লাগবেই ,চামড়ার একটা গন্ধ আছে। তবে আমাদের লাগেনা অভ্যাস হয়ে গেছে। আমরা বেতনে কাজ করি। চামড়া পুড়িয়ে তা আবার মেশিনে ভাঙ্গানো হয়। পরে রোদে শুকিয়ে বস্তায় ভরে পাঠানো হয় কয়েল কারখানায়। এটা দিয়ে কয়েল বানানো হয়। এর মালিকের নাম আক্তার হোসেন, এখানে দেখাশোনা করেন জায়গা মালিক আল আমীন।

এব্যাপারে জায়গা মালিক আল-আমীন বলেন, ২০ হাজার টাকা জামানত হিসাবে নেওয়া হয়েছে, দুই বিঘা জমি ভাড়া বাবত মাসে পাঁচ হাজার টাকা দিবে। আমি কোন শেয়ার না, তবে সুবিধা বুঝেন শেয়ার হতে পাড়ি। এখানে কয়েল ফ্যাক্টরিটা আনতে চাচ্ছি, আনতে পারলে আমার লাভ হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম গোলাম মোর্শেদ খান বলেন, চামড়া পুড়িয়ে কয়লা তৈরি হয় খবরটি আমি শুনেছি, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ