রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কাপাসিয়ার এক মাদরাসায় শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য: সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুদকে

মাহাবুর রহমান, গাজীপুর
প্রকাশকালঃ রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২

কাপাসিয়ার এক মাদরাসায় শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য: সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুদকে

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার আড়ালিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসায় শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে ঘুষবাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে সুপারের বিরুদ্ধে। এবিষয়ে কর্মচারী পধে নিয়োগ বঞ্চিত একজন দুদক ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ কারি মো: বশির উদ্দিন খান উপজেলার টোক ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে অত্র মাদরাসার জমিদাতা সদস্য মৃত শাহাব উদ্দিন খানের ছেলে। অভিযুক্ত সুপার মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান খান নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার রায়ের পাড়া (ড্রেনের ঘাট) এলাকার মো. আঃ হামিদ খানের ছেলে।

অভিযোগে বশির উদ্দিন বলেন, আড়ালিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসার জমি দাতা সদস্য মৃত শাহাব উদ্দিন খানের ছেলে বশির উদ্দিন খানের কাছ থেকে ২০১৮ সালে নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগের জন্য মাদরাসা সুপার মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান তিন লক্ষ্য সত্তর হাজার টাকা নেন। অপরদিকে নয় লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে চরবাঘোয়া এলাকার আবুল হাসান (ইনডেক্স নং- এম ০০১৪৮৮৬ ) নামে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলা হয়। টাকা দিয়ে নিয়োগ বঞ্চিত হয়ে বশির উদ্দিন টাকা ফেরত চাইতেগেলে নানান তালবাহানা করে সময় পার করেন সুপার। পরে দেনদরবারের মাধ্যমে পাওনা টাকা থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা কিস্তি আকারে ফেরত পান । বাকি তিন লাখ বিশ হাজার টাকা ফেরত দেন নাই বলে বশিরের অভিযোগ।

মাস দু’য়েক আগে মাদরাসায় আসার পথে টাকা চাইলে সুপার ও সহকারী লইব্রেরিয়ান মোহাম্মদ আলী আমাকে পচন্ডরকমে মারধর করে, এমনকি বিবস্ত্র করে দেয়। এই ঘটনা মাঠেথাকা অনেকেই দেখেছেন। মানুষের কাছে বলে বেরান কেউ নাকি তাকে (সুপারকে) কিছু করতে পারবেনা।

এছাড়া এনটিআরসিএ এর নিবন্ধন ছাড়াই সহকারী শিক্ষক হিসাবে মো: আতিকুল ইসলাম (ইনডেক্স নং-০০০৬১৮), মো: মাসুদ করিম (ইনডেক্স নং-৩৪৮৯৩৬), মো. শফিকুল ইসলাম (ইনডেক্স নং-০০০৮১৪৬), মো. নূরে আলম (ইনডেক্স নং-০০০০৮০৯), সহকারী লাইব্রেরিয়ান মোহাম্মদ আলী ( ইনডেক্স নং-০১৬৭৩২ ) এবং সহকারী সুপার হিসাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া মো. জাকির হোসেন ( ইনডেক্স নং-২০০০০৩৬ ) এদেরকে ও কর্মচারী নিয়োগে সুপার মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান খান আশি লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ্য করা হয়।

সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য প্রফেসর কামরুল হাসান সেলিম জানান, মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান ২০১৬ সালে আড়ালিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসায় সুপার হিসাবে যোগদান করেন। এ বছর থেকেই এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করেন সরকার। কিন্তু সুপার এনটিআরসিএ কে পাশ কাটিয়ে সম্পুর্ণ অবৈধভাবে উল্লেখিত শিক্ষকদেরকে এনটিআরসিএ এর নিবন্ধণ ছাড়াই টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরর্তীতে করোনাকালীন সময়ে বন্ধের মধ্যে তাদের ভূয়া নিবন্ধণ দেখিয়ে এমপিও‘র তালিকাভুক্ত করে বেতন উত্তলনের ব্যবস্থা করে দেন সুপার হাবিবুর রহমান।

এবিষয়ে সাক্ষাতে কথা বলে জানতে চাইলে সুপার মাও. মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, এসব মিথ্যা , সাজানো অভিযোগ। অভিযোগ যাচায়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট চাইলে তিনি শিক্ষকদের নিয়োগ ও কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত কোন প্রকার প্রমান বা রেজিস্টার দেখাতে পারেননি। বিভিন্ন তালবাহানা করে সুপার বলেন আমার কাছে সব আছে কিন্তু এখন দেখানো যাবে না, পরে সব দেখাবো।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুস সালাম সরকার বলেন, আড়ালিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসা প্রসংঙ্গে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ