সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

মাদারীপুরে অনুমতি না থাকায় ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২

মাদারীপুরে অনুমতি না থাকায় ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ইব্রাহিম সবুজ/কালকিনি (মাদারীপুর):-

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা এলাকার ফারজানা সৌরভ ব্রিকস নামে একটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। জানা যায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স না থাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নিয়মের বহির্ভূত হওয়ার আরও ৯টি ইটভাটা মালিককে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার (৩০ মার্চ) দিনব্যাপী পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় ও ফরিদপুর আঞ্চলিক অফিসের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ফরিদপুর আঞ্চলিক অফিসের উপ-পরিচালক এএইচএম রাশেদ জানান, ঘনবসতি এলাকার মধ্যে ইটভাটা নির্মাণ করে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফারজানা সৌরভ ব্রিকস-এর কোন অনুমোদন না থাকায় ভেকু দিয়ে ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় পানি ছিটিয়ে এর কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।

এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স না থাকায় থ্রি স্টার ব্রিকস্, নাবিল ব্রিকস্, সুপার গোল্ড ব্রিকস্, অগ্রণী ব্রিকস্, কেএমএম ব্রিকস্সহ মোট ৯টি ইটভাটার মালিককে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানায়, নিয়ম না মানলে পরবর্তীতে এই অভিযান আবারও চালানো হবে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময়, পরিবেশ অধিদপ্তরের ফরিদপুর আঞ্চলিক অফিসের সহকারী পরিচালক মিতা রানী দাস, মাহফুজুর রহমান, মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক মো. নুরমোহাম্মদ, মাদারীপুর সদর মডেল থানার এস আই মো. আক্তারুজ্জামানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ