শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কৃষকদের ফসলহানী ঘটলে দুর্নীতিবাজ আমলাদের লুটেরা বর্গীদের মতোন বিতাড়িত করা হবে

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২

কৃষকদের ফসলহানী ঘটলে দুর্নীতিবাজ আমলাদের লুটেরা বর্গীদের মতোন বিতাড়িত করা হবে।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় হাওর বাঁচাও আন্দোলনের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। চলমান হাওর রক্ষা বাঁধের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালীর পরিচালনা মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাওর বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন সেন রয়, সাংগঠনিক সম্পাদক একে কুদরত পাশা, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক একে মিলন, আওয়ামীলীগ নেতা তাজুল ইসলাম, কৃষক মিজানুর রহমান প্রমুখ।

এসময় বক্তারা দোয়ারাবাজার উপজেলার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘যেখানে ২৮ ফেব্রুয়ারি হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হওয়ার কথা সেখানে কানলার হাওরের ১ নম্বর পিআইসির কাজ এখন শুরু হয়েছে। বাঁধের গোড়া থেকে মাটি কেটে কাদামাটি দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। অনেক জায়গায় অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় বাঁধ নির্মিত হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন ও পাউবোর কর্মকর্তারা নির্বিকার। এবার কৃষকদের ফসলহানী ঘটলে দুর্নীতিবাজ আমলাদের লুটেরা বর্গীদের মতোন বিতাড়িত করা হবে।’

তাঁরা আরো বলেন, ‘হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের পিআইসি সিন্ডিকেটের নাম এখলাস ফরাজী। প্রতিটি পিআইসিতে তাঁর নাম শোনা যাচ্ছে। অনেক পিআইসির সভাপতি ও সদস্য সচিব তাঁরা নিজেরাই তাদের পিআইসি সম্পর্কেই জানেন না। সবাই বলছেন এখলাস ফরাজীর নাম। প্রশাসনকে এবিষয়ে তদন্ত করতে হবে।’

এরআগে হাওর বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ সরেজমিনে গিয়ে সুরমা ইউনিয়নের কানলার হাওরের বিভিন্ন ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ