সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির দশ টাকা কেজি চাল বিতরণে অনিয়ম,বঞ্চিত কার্ডধারী গরিবরা

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির দশ টাকা কেজি চাল বিতরণে অনিয়ম,বঞ্চিত কার্ডধারী গরিবরা।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরের চালে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় এক ডিলারের বিরুদ্ধে।
জন প্রতি ত্রিশ কেজি চাল দেয়ার কথা থাকলেও দেয়া হচ্ছে কখনও ২৬কেজি আবার কখনও ২৭কেজি(এক বালতি)। এ ছাড়াও নির্ধারিত সময়ে দোকান না খোলাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে ডিলারের বিরুদ্ধে। এতে বঞ্চিত হচ্ছেন কার্ডধারী গরিবরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন জামতলা বাজারের ডিলার আবুল কালামের বিরুদ্ধে।
তিনি গত দুদিন ধরে ডিজিটাল মিটারে চাল পরিমাপ না করে এক বালতি চাল বস্তায় ভরে দিয়েই বলছেন ত্রিশ কেজি চাল। এনিয়ে উপকার ভোগীদের সাথে ঝগড়া লেগেই চলে দিনভর। বারাবাড়ি করলে বিভিন্ন ভাবে হুমকিও দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন কার্ডধারী অনেকেই।

এসব অনিয়মে বিষয়ে ডিলার আবুল কালামের
মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। পরিবর্তিতে তার সাথে কোন ভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।

আজ সোমবার দুপুরে সরজমিন জামতলা বাজারে গিয়ে ডিলালের দোকান বন্ধ পাওয়া যায়। যাওয়ার খবর পেয়ে দোকান বন্ধ করে ছলে যায় ডিলার।
এসময় লেদারবন গ্রামের আব্দুল আহাদ, আব্দুল মোতালেব,আব্দুল মালেক বলেন,বালতি দিয়ে চাল দেয়ায় দু-তিন কেজি কম দেয়ায় সকালে এনিয়ে ঝগড়া হয়েছে। দুপুর ১২টায় আসলে আমাদেরকেও এককেই ভাবে বালতিতে ভরে চাল দিয়ে বলে এখানে ত্রিশ কেজি চাল আছে।

কুকুরকান্দি গ্রামের আওয়াল মিয়া,এরশাদ মিয়া আলেক মিয়াসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভোক্তভোগীরা বলেন,আমাদের কে ডিজিটাল মিটারে পরিমাপ না করেই বালতি দিয়ে বস্তায় ভরে দেয়। আমরাও নিয়ে যাই। পরিমাপ করেনি তারা বলেছে এখানে ত্রিশ কেজি চাল আছে। পরে অন্য দোকানে পরিমাপ করে দেখা যায় ২৬ কেজির একটু বেশি।
জামতলা বাজারে আব্দুস ছাত্তারসহ স্থানীয় একাধিক দোকানদার জানান, চাল বিতরণে ওজনে কম দেয়ার উপকার ভোগীদের সাথে ঝগড়া হয়েছে ডিলারের। এ নিয়ে ভোক্তাদের মাঝে চরম ক্ষোব প্রকাশ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

উপজেলা খাদ্য গোদাম কর্মকর্তা মফিজুর রহমান জানান,দশ টাকা কেজি চাল প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি রয়েছে। কার্ড ধারীরা জন প্রতি ত্রিশ কেজি চাল পাওয়ার কথা।

এবিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রায়হান কবির জানান,খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরের চালে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এই বিষয় ফুড অফিসার কে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। কোন ছাড় দেয়া হবে না সে যত বড় শক্তিশালী হউক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ