মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০২:০১ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

অনিয়ম-দুর্নীতিতে ভরা কক্সবাজার এলএ অফিস : নেপথ্যে বজ্রকঠিন সিন্ডিকেট

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার ।।

কক্সবাজার জেলায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি ব্যয়ে বর্তমানে ৭০টিরও বেশি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।
কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ হচ্ছে, উন্নয়নমূলক কাজ এবং দুর্নীতি দুটোই সমান তালে চলছে এখানে। জেলায় ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্নীতিও হচ্ছে।
বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় ঘটছে তুঘলকি কাণ্ড। লাগামহীন ভাবে দুর্নীতি অব্যাহত আছে। কক্সবাজারে মানুষকে জিম্মি করে নানাভাবে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে, এটা নতুন নয়। স্থানীয়দের এমন অভিযোগ বেশ জোরালো এবং দীর্ঘদিনের।
উন্নয়নের নামে মানুষের ভিটে মাটি জমি কেড়ে নিয়ে ভুমি প্রতারক চক্র।
এসব দুর্নীতির পেছনে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), ভুমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, কাননগো, সার্ভেয়ার এবং স্থানীয় কতিপয় রাজনীতিবিদরা ও দালাল চক্র একাট্টা হয়েছেন। অবশ্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
প্রভাবশালী আমলা ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, দালালদের বজ্রকঠিন সিন্ডিকেট এখানে। ইতোপূর্বে দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হওয়া এলএ অফিসের কর্মচারী, কাননগো, সার্ভেয়ার ও দালাল চক্র জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও সিন্ডিকেট সৃষ্টি করে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে।
এছাড়াও জেলা প্রশাসকের অদুর্দশিতার কারণে এমন হচ্ছে। তিনি যথাযত পদক্ষেপ না নেওয়ায় এলএ শাখা দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।এসব কথা জানালেন কক্সবাজার সোসাইটির সভাপতি কমরেড গিয়াস উদ্দীন।
কক্সবাজারে বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে বলতে গিয়ে কমরেড গিয়াস উদ্দীন আরও বলেন, এখানে দিনকে রাত আর রাতকে দিন বানানো হয়েছে। বনকে পান আর পানকে বানানো হচ্ছে ধান। এতে করে প্রকৃত ভুমি মালিকরা অধিগ্রহণের টাকা পান অর্ধেরও কম। নানান ছুতোয় অধিগ্রহণের রোয়েদাদ আটকিয়ে, আপত্তির নামে এক প্রকার জিম্মি করে কমিশন হারে অগ্রীম আদায় করা হয় মোট ক্ষতিপূরণের টাকা থেকে সর্বনিম্ন ২০% ও সর্বোচ্চ ৩০%- ৩৫% টাকা।
কক্সবাজার সদরে তেমনি একটি ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের টাকা ‘গ্রহিতা ও বঞ্চিত’ দুটো পক্ষই এখন অসহায়।
প্রতারণা ও দুর্নীতির মাধ্যমে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের টাকা নিলেও এখন সরকারী কোষাগারে টাকা ফেরতের নোটিশ পেয়ে গ্রহীতা ছলিম উল্লাহ পড়েছে বিপাকে। তিনি ৮০ লাখ টাকার চেক গ্রহণ করলেও টাকা পেয়েছে চেকের অর্ধেকেরও কম । এধরনের ঘটনার
পর কক্সবাজারের দুর্নীতি নিয়ে আবার নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় দালালদের সংযোগে কোটি কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে, তবে প্রকাশ পাচ্ছে খুব কম সংখ্যক ঘটনা। শত শত দুর্নীতির ঘটনার নেপথ্যে একটি ঘটনার জলন্ত প্রমাণ এটি।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার রোয়েদাদ নম্বর -২৯৯। কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা মৌজার
বিএস খতিয়া নম্বর-৭৭, বিএস দাগ নম্বর ১৪৩০৬। জমির পরিমাণ ১২ শতক। এ জমি থেকে রেললাইন প্রকল্পের জন্য (অবকাটামো ও গাছ পালা এবং জমি ) অধিগ্রহণ করা হয় ৯ শতক। যাহা এলএ মামলা নং ৪/২০১৬-২০১৭।
এই জমির রেকর্ডিয় মালিক ওই এলাকার মোজাহের আহমদ। তার মৃত্যুতে ওয়ারিশ ৪ ছেলে আবদুর রহমান, আবদু রশিদ, আবদুল করিম, ও মোহাম্মদ হোছন। তারা বিভিন্ন জনকে রেজিঃ দলিল মুলে বিক্রি করেন। এদের মধ্যে ক্রয় সুত্রে একজন জমির মালিকের ছলিম উল্লাহ।
তিনি আবদুল করিম থেকে ৮/১০/১৯৯৫ ইং রেজিঃ দলিল নম্বর ২২৯৭ মুলে সাড়ে ৬ শতক জমি কিনেন। তবে পৈত্রিক ১২ শতক হিসেবে হিস্যায় জমি পান ৩ শতক। অধিগ্রহণের ৯ শতক জমির ক্ষতিপূরণ হিস্যায় তিনি জমি পান ২.২৫ শতক।
মোজাহের আহম্মেদের অপর ছেলে আবদুর রহমান থেকে গত ১৯/০৬/১৯৮৯, দলিল নং ১৪৮৮ মুলে ১২ শতক জমি আবুল হোছন কিনলেও পৈত্রিক ১২ শতক জমির হিস্যা মতে তিনিও পান ৩ শতক।
তার অপর দুই ছেলে আবদু রশিদ ও মোহাম্মদ হোছন থেকে গত ১০/০৯/২০১৮ ইং রেজিঃ দলিল নম্বর-৩২৬৬ মুলে ৬ শতক জমি কিনেন নুর উল্লাহ। রেললাইন নির্মাণের জন্য যখন জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছিল, তখন জমি হারাতে বসেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদু রশিদ ও মোহাম্মদ হোছন দুই ভাই।
তাদের জমি অন্যের নাম (ছলিম উল্লাহ) দেখিয়ে অধিগ্রহণ করে দালাল চক্র এবং জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কমিটির লোকজন।
জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), ভুমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, কাননগো, সার্ভেয়ার এবং স্থানীয় কতিপয় রাজনীতিবিদরা ও দালাল চক্র সহযোগিতায় বেশ কয়েকটি চলমান মামলার তথ্য গোপন রেখে ছলিম উল্লাহ একাই এলএ মামলা নম্বর- ৪/২০১৬-২০১৭,
এর ২৯৯ নং রোয়েদাদ নম্বর-২৯৯, তাং-২৫/৮/২০২১, চেক নং- ০৭৯৮৪৭ এর মাধ্যমে ৮০,৩১,৬২৩ টাকা উত্তোলনও করে ফেলেছে। শেষ পর্যন্ত লিখিত (কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভুমি অধিগ্রহণ শাখা এলএ কেস নং ৪/২০১৬-২০১৭
জারির নম্বর-৭৮৫/২২, তারিখ- ৯/১/২০২২ইং) আপত্তি জানিয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন জমির মালিক নুর উল্লাহ।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, উক্ত নুর উল্লাহ (পিতা- মৃত নুর মোহাম্মদ) ক্ষতিপূরণের প্রদানকৃত টাকা ফেরত এনে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমার জন্য আপত্তি দায়ের করেন। আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে
১৫/২/২০২২ ইং সকাল ১১ টায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব কার্যালয়ে শুনানী অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আপত্তি দাতা নুর উল্লাহ ও চেক গ্রহীতা ছলিম উল্লাহকে
নোটিশ দেন কক্সবাজার ভুমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন। কিন্তু ধার্য্য তারিখে রহস্যজনক কারণে শুনানী হয়নি। প্রতারণার মাধ্যমে নেয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত আনার জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর আবেদন করেন নুর উল্লাহ। তবে ছলিম উল্লাহ হিস্যা মতে ২.২৫ শতক জমির ক্ষতিপূরণ টাকা পান ২৭ লাখ ৯৩১৮ টাকা। কোষাগারে টাকা ফেরত আনার জন্য আরও একটি নোটিশ দেয়া হয় চেক গ্রহীতাকে। জমির মালিক নুর উল্লাহ আবেদনে দাবী করেন
“সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভুয়া মালিক সাজিয়ে টাকা উত্তোলন করেছিল।”তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তা ছাড়া এই কাজ করা কি সম্ভব?তিনি বলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শাখায় আমিন আল পারভেজ এর কাছে খতিয়ান বাতিলের মামলা বিচারাধীন। মামলা নং-১০৮/২০১৯, রোয়েদাদের বিরুদ্ধে মামলা নং-৪, ২০১৬-২০১৭,এএল মামলা -২০২০.অপর মামলা নং-৫, তাং- ১৬/২০১২। এছাড়াও সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে কৌশলে ১০/০৯/২০১৮ ইং আরজি সংশোধনী দেয়া হয় এই মামলায়।

এদিকে, অধিগ্রহণকৃত জমির সব ওয়ারিশকে শুনানির জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছিল গত ৬/১০/২০২০ ইং। কিন্তু ছলিম উদ্দিন ও নুর উল্লাহ আবেদনকারী হলেও তাদেরকে শুনানীতে না ডেকে শুনানী সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে তথ্য গোপন করে টাকা ছাড় দেয়া হয়। চেক গ্রহিতা ছলিম উল্লাহ বলেন,আমি ৮০ লাখ ৩১৬২৩ টাকা মধ্যে টাকা পেয়েছি অর্ধেকেরও কম। ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলণে সব দিক ম্যানেজ করার কথা স্বীকার করলেও কাকে কতো টাকা দেয়া হয়েছে; সে বিষয়ে তিনি তথ্য প্রকাশে অস্বীকৃতি জানান।
একাধিক সুত্র জানায়, জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ভুমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে যেসব দুর্নীতি হচ্ছে, সেগুলো হচ্ছে – ক্ষতিপূরণের টাকা দেয়ার ক্ষেত্রে কৌশলে কমিশন আদায়, একজনের জমি অন্যজনের নামে দেখানো, বেশি দামে জমি কেনা, বন কে পান ও পরবর্তীতে পানকে ধানি জমি দেখিয়ে ( ভুমির শ্রেণী পরিবর্তন) টাকা দেয়া হয়।
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী ও সাবেক এপিপি আয়াছুর বহমান বলেন এসব অভিযোগ মিথ্যা নয়। বিষয়গুলো অনেকটা ওপেন সিক্রেট ছিল।
“দুর্নীতি তো হয়েছে অনেক। শত শত অভিযোগ আছে। এগুলো প্রকাশ্যেই হয়, এখনো হচ্ছে। তবে লাগামহীন দুর্নীতি এখন অনেকটা লাগান টেনে ধরা হচ্ছে।
কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ হচ্ছে, অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে এতো বড় আকারের দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা তারা দেখছেন না। দুর্নীতির বিষয়ে অনেক মামলা হয়েছে, অনেকে গ্রেফতার হয়ে। এরপরেও দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে না। বর্তমানে সার্ভেয়ার সাইফুল ইসলাম (বরিশাল)। এডিসি আমিন আল পারভেজ, এলও শামীম হোসেন,
কাননগো নুরুল ইসলাম, সার্ভেয়ার সাইফুল ইসলাম (বরিশাল) ও তাদের নিয়োজিত দালালদের কারণে পদে পদে জমি মালিকরা হয়রানী হচ্ছে। কমিশন বাণিজ্যে আটকে গিয়ো প্রকৃত ভুমি মালিকরা অধিগ্রহণের টাকা পাচ্ছে না।
কক্সবাজার সোসাইটির সভাপতি কমরেড গিয়াস উদ্দীন আক্ষেপ করেন, “কোন লেভেল থেকে দুর্নীতি হচ্ছে, কিভাবে কক্সবাজারকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এগুলো উচ্চ পর্যায়ে বলার সুযোগ আমাদের নেই।” প্রভাবশালী আমলা ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, দালালদের বজ্রকঠিন সিন্ডিকেট এখানে। ইতোপূর্বে দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হওয়া এলএ অফিসের কর্মচারী, কাননগো, সার্ভেয়ার ও দালাল চক্র জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও সিন্ডিকেট সৃষ্টি করে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। এলএ শাখার প্রভাবশালী দালাল আলীম উদ্দিন ও মো. আরিফুল হাসান সব কিছুর হোতা হিসেবে কাজ করছেন। এরা মেরিন ড্রাইভের সড়কের জমি অধিগ্রহণে ক্ষতি পূরণের টাকা উত্তোলণে দালালিতে জড়িত।
তিনি বলেন, এলএ শাখায় দালালের তালিকা করা হলেও তাদের দ্বারাই সব অনিয়ম করা হচ্ছে। এসব অনিয়মের বিষয় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানান তিনি।
কক্সবাজার ভূমি অধিগ্রহণের দুর্নীতির প্রসঙ্গে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব আমিন আল পারভেজ বলেন, এরআগে এই কক্সবাজার ভুমি অধিগ্রহণে অনেক কান্ড ঘটেছে। এখন এলএ শাখায় অনেকটা স্বচ্ছতা এসেছে দাবী করে তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনেই জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা ছাড় দেয়া হয়।
তিনি বলেন, এরআগে উঠে আসা দুর্নীতির অভিযোগগুলো আইনী জটিলতায় আটকে গেছে, তখনকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখন এখানে কর্মরত নেই। কারো কারো পদোন্নতিও হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে এডিসি আরও বলেন, এলএ অফিসে কমিশনের নামে ছলিম উল্লাহ এর কাছ থেকে যারা টাকা আদায় করেছে; সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেছেন, কক্সবাজারে যেসব জায়গায় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দুর্নীতির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে তাদের কাছে কেউ কখনো অভিযোগ করেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ