রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

চকরিয়া হারবাংয়ে বনকর্মীদের সহযোগিতায় বনের জমিতে পাকা দালান!

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০২২

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, বিশেষ প্রতিবেদক।।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের চুনতি রেঞ্জের চকরিয়া হারবাং বনবিট অফিসের আশপার্শে পাকা,আধা পাকা ও কাঁচা ঘর নির্মান অব্যাহত রয়েছে। এসব দখল বাজদের কাছে গত কয়েক মাস ব্যবধানে বিপুল পরিমাণ বনভূমি দখল বিক্রি হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট বনবিট কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান ও এফজি (ক্যাশিয়ার) সৈকত মন্ডলের সাথে হাত মিলিয়ে বনভূমি দখল করা হয়েছে। এই সব বনভূমিতে গড়ে তুলছে পাকা বাড়ী ও আবাসিক বাণিজ্যিক ভবন।

বনভূমি দখলদারদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ জিরোটলারেন্স ঘোষনা দিলেও মাঠপর্যায়ে এ ঘোষনা তেমন কার্যকর হচ্ছে না। খোদ হারবাং৷ বনবিট কর্মকর্তা ও ফরেস্ট গার্ডরা ভূমিদস্যুদের সাথে আতাত করে বনভূমি দখলের ঘটনা দিনদিন বাড়ছে বলে জানান স্থানীয় সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চুনতি রেঞ্জের চকরিয়া হারবাং বিটের আওতাধীন মুসলিম পাড়া মসজিদের পাশে এলাকায় বনভুমিতে পাকা দালান নির্মাণ করছে স্থানীয় মোস্তাক আহম্মদের ছেলে জয়নাল আবেদীন। মুসলিমপাড়াসহ আশপাশ এলাকায় প্রতিদিন নিত্যনতুন পদ্ধতিতে বনায়ন ধ্বংস করে বনভুমি জবর দখল হচ্ছে। এছাড়াও দখলবাজরা নিয়মিত পাহাড় কেটে পাকা ঘর নির্মাণ ও পাহাড়ি মাটি এবং বাগানের গাছ অবৈধভাবে বিক্রিসহ নানা বাণিজ্যিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্র জানান, হারবাং এলাকার একটি সিন্ডিকেট ও দখলবাজ চক্র বনভূমি দখল করে তা লাখ লাখ টাকা দিয়ে বিক্রি করেছে, আর সামান্য ফায়দা লুটছে বনকর্মীরা।
সুত্র আরও জানান, ফরেস্ট গার্ডরা টহলে গিয়ে দখলের এ প্রক্রিয়া দেখেও রহস্যজনক নিরবতার ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, হারবাং ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড মুসলিমপাড়া এলাকায় উক্ত জয়নাল আবেদীনসহ অনেকে পাহাড় কেটে বিশাল আকারে বনজমি দখলে নিয়ে সেখানে পাকা বাড়ী নির্মাণের দুঃসাহস দেখাচ্ছে।
বনভুমিতে পাকা দালান নির্মাণ করতে গিয়ে তারা বনায়নের গাছ ও পাহাড় কেটে পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আানছে বলে স্থনীয়দের অভিযোগ।
বনবিভাগের লোকজনের অসহযোগিতা ও ক্ষেত্র-বিশেষে যোগসাজসে বর্তমানে হারবাং বনবিটের হারবাং,গয়ালমারা, মইক্যাঘোনা, কোরবানিয়া ঘোনা ও বরইতলী এলাকায় সামাজিক বনায়ন লোপাটের হিড়িক পড়েছে। এ অবস্থার কারনে বনায়ন রক্ষা করতে গিয়ে উপকারভোগীরা বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায় রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সামাজিক বনায়নের পাশাপাশি সংরক্ষিত বনাঞ্চলও উজার হচ্ছে। চলছে বনভুমি দখল বিক্রির প্রতিযোগিতা।
বনভুমিতে পাকা দালান নির্মাণে অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি হারবাং বিট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে বাড়ি নিমার্ণ করছি। এতে অন্য কারো সমস্যা থাকার কথা নয়।

এবিষয়ে হারবাং বনবিট কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান বলেন, বনভুমি দখল কাজে আমাদের কোন যোগসাজশ নেই। যেখানে বনভুমি দখলের খবর পাই, সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াসহ অবৈধ বসতি উচ্ছেদের পর বেহাত হওয়া বনভূমি উদ্ধার.করা হয়েছে। অবৈধ বসতি উচ্ছেদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ