মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

পদ্মানদীতে নাব্যতা সংকট দেখিয়ে শিমুলিয়া-বাংলা বাজার নৌ রুটে ফেরি সংকটঃ

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২

পদ্মানদীতে নাব্যতা সংকট দেখিয়ে
শিমুলিয়া-বাংলা বাজার নৌ রুটে ফেরি সংকটঃ দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলা লক্ষ লক্ষ পদ্মা পারাপারের যাত্রীদের দূভোগে

মীর ইমরান/মাদারীপুর নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শিমুলিয়া-বাংলা বাজার নৌ রুটে ফেরি সংকট থাকায় দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলা লক্ষ লক্ষ পদ্মা পারাপারের যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ঘাট সূত্রে জানাযায় বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌ-রুটে মাত্র পাঁচটি ফেরি দিয়ে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সার্ভিস চালু রাখায় প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলা থেকে আগত হাজার হাজার গাড়ি পদ্মা পার হতে না পেরে ফিরে যাচ্ছে।

দূরবর্তী জেলা থেকে আসা ছোট-বড় যানবাহনগুলো ঘন্টার পর ঘন্টা ঘাটে অপেক্ষা করে বিকেলে ফেরিতে উঠতে ব্যর্থ হয়ে বিকল্প নৌ-রুটে যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রাতে বাংলা বাজার ঘাটের টার্মিনালে থাকতে হচ্ছে যান বাহন গুলোকে।

পদ্মায় নেই স্রোতের তীব্রতা, নাব্যতা সঙ্কট বা দিনভর কুয়াশার দৌরাত্ম- এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকলেও ফেরি চলাচলের সঙ্কট ঠিকই দেখা গেছে এ নৌরুটে।

ফলে দুর্ভোগ পিছু ছাড়েনি এ রুট ব্যবহারকারীদের।
যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা বলেন, এ ফেরিঘাটের দুর্ভোগের কোনো সংজ্ঞা নেই। সাধারণ যাত্রীদের কোনো মর্যাদা বা গুরত্ব্ব ঘাট কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। তবে দুর্ভোগ সয়ে গেছে গায়ে। এখন শুধু পদ্মাসেতু চালুর অপেক্ষায় আছি।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এ নৌরুটে পাঁচটি ফেরি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলাচল করছে। গত বছর বর্ষা মৌসুমে স্রোতের তীব্রতার কারণে পদ্মাসেতুর সাথে ফেরির ধাক্কা লাগার পর থেকে এ নৌরুটে ফেরি চলাচলে সঙ্কট শুরু হয়। ছোট ছোট পাঁচটি ফেরি দিয়ে চলছে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স, ব্যক্তিগত গাড়ি ও যাত্রী পারাপার।

পণ্য পরিবহন, যাত্রী দুর্ভোগসহ নানা কারণে চাহিদা থাকলেও বাড়ানো হয়নি ফেরির সংখ্যা।

এর ট্রাক চালক সুমন মিয়া বলেন, বাংলাবাজার ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। অথচ ঘাটেই বড় বড় ফেরি নোঙর করে রাখা আছে। আশা করবো, শীঘ্রই ফেরির সংখ্যা বাড়বে। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ বিষয়ে মাদারীপুর থেকে ঢাকাগামী মাইক্রোবাস ড্রাইভার মিজান জানান, এখন নদীতে স্রোত নাই। পুরো নৌপথ স্বাভাবিক। তারপরও মাত্র ৪টি ফেরি চলছে। ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হলে আমাদের ভোগান্তি কমবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ