বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কমলনগরে জলাবদ্ধতা ও জলোচ্ছ্বাস থেকে মুক্তি পাবে একটি গ্রাম

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

কমলনগরে জলাবদ্ধতা ও জলোচ্ছ্বাস থেকে মুক্তি পাবে একটি গ্রাম।

এ আই তারেক/কমলনগর (লক্ষ্মীপুর):

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে হতদরিদ্রদের একটি প্রকল্পেই প্রায় শতাধিক পরিবার জলাবদ্ধতা ও জলোচ্ছ্বাস থেকে মুক্তি পেয়েছে।

২০২১-২০২২ অর্থ বছরের ২০২২ সালের ১লা জানুয়ারীতে শুরু হওয়া ৪০ দিনের হতদরিদ্রদের কর্মসুজন প্রকল্পে উপজেলার ৬নং পাটারির হাট ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে চর ফলকন গ্রামে অবস্থিত মৌলভী আব্দুল আজিজ সড়ক হাজিরহাট-ইসলামগঞ্জ পাকা রোড থেকে পাটারির হাট পাকা সড়ক পর্যন্ত ৮০০ মিটার রাস্তার মাটির কাজ করা হয়।

এই রাস্তায় মাটির কাজ করাতে দুই দিকে লাভবান হয়েছে গ্রামবাসী, নদী ভাঙার কবলে মেঘনার পাড়ের বেড়ি ভেঙে যাওয়াই বর্ষার মৌসুমে এই অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসের পানি গ্রাম প্রবেশ করতো। এতে করে পানিতে ডুবে যেত পুকুর, বাগান, বাড়ি, ঘর। রাস্তাঘাট ভেঙে চলাচলে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো এই গ্রামের মানুষ।

রাস্তাটি পূর্বের চেয়েও ৫ ফুট উচু করায় গ্রামবাসী আশাবাদী জলোচ্ছ্বাসের কবল থেকে রক্ষা পাবে বলে।

তাছাড়া ও রাস্তাটি কাজ করতে গাইমরা খাল থেকে মাটি তোলায় খালটি খননের কাজ ও হয়েছে, এতে করে প্রায় এক হাজার পরিবার জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে জানান এলাকা বাসি।
পূর্বে এই গাইমরা খালটি ভরাট থাকায় আশ পাশের বাড়িঘর, ক্ষেতের পানি আটকে জলাবদ্ধতা দেখা যেতো, নষ্ট হতো মাঠের ফসল।

গ্রামবাসি মইজুল ইসলাম(৭০), আব্দুল মালেক মাঝি(৬০), শেখ ফরিদ (২৮) জানান, রাস্তার কাজ ও খাল খননে আমার দুই দিকেই উপকৃত, গাইমরা খাল ভরাট থাকায় আগে বৃষ্টি হলেই পানি আটকে আমাদের জমিনের ফসল নষ্ট হতো। এবং বর্ষার মৌসুমে জলোচ্ছ্বাসের পানি ডুকে ঘর-বাড়ি ভেসে যেতো রাস্তাটি উচু করায় জলোচ্ছ্বাসের পানি আসার সম্ভাবনা নেই।

বিলকিছ বেগম জানান, বর্ষার সময় পানি উঠে বাড়ি-ঘর ডুবে যেতো, এতে করে ছেলে-মেয়ে স্কুলে যেতে অনেক কষ্ট পোহাতে হতো, রাস্তাটি উচু করায় জলোচ্ছ্বাসের পানি না আসার সম্ভাবনা বেশি।

পাটারির হাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট নুরুল আমিন রাজু জানান, মেঘনার ভাঙনে বেড়ি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বর্ষার মৌসুমে জলোচ্ছ্বাসের পানি ডুকে গ্রামের ঘর বাড়ি ডুবে যেতো তাই হতদরিদ্রদের বরাদ্দে উচু করে রাস্তা নির্মাণ করেছি যাতে বর্ষায় পানি না ডুকতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ