মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

আব্দুলপুর সরকারি কলেজের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পরকিয়ায় এক শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট

নিজস্ব বার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২

আব্দুলপুর সরকারি কলেজের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পরকিয়ায় এক শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট

স্টাফ রিপোর্টার, নাটোরঃ আব্দুলপুর সরকারি কলেজের পিছনের ক্রমাগত পরোকিয়া করে মোঃ রসূল (৩৫) এবং মোঃ আতাউর রহমান (৩৭) এবং মোছাঃ মাসূরা খাতুন (৩৬)। মোঃ আতাউর রহমান যখন অর্থনীতি বিভাগ এ মোছাঃ মাসূরা খাতুন -কে হাতে নাতে ধরে সাংবাদিক ও অনুসন্ধান টিম, ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেন।

কিন্তু সত্যটা সময়ের কন্ঠ অনুসন্ধান টিম তদন্ত সাপেক্ষে কথা বলেন, প্রিন্সিপাল নূর কতুব আলম জানান এ বিষটি আমি শুনেছি কিন্তু এর ব্যাবস্থা আমাদের কাছে নেই জবাবে আরও বললেন মোছাঃ মাসূরা খাতুন এর অসামাজিক কার্যকলাপে সাথে জড়িত দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে। মোছাঃ মাসূরা খাতুন একজন অর্থনীতি বিভাগ এর কেরানি। এরকম আপত্তিকর ঘটনার কারনে আমাদের এ কলেজ ছেড়ে চলে গেছে৷ এবং এরকম প্রতিনিয়ত কার্যকলাপের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারনে বেশ কিছুবছর পূর্ব থেকে ছাত্রদের সাথে অবৈধ ভাবে মেলামেশা আরম্ভ হয় তবে এর প্রভাব মোছাঃ মাসূরা বেগমের প্রতি নয় এর প্রভাব যেনো শুধুই ছাত্র।

সেই অভিযোগ করে শিক্ষার্থী জানান যে, অনার্স প্রথম বছরে ইনকোর্স মার্ক ২০ এ ২০ দেওয়া হয়েছে আসলে ২০ এ২০ নাই আছে মাত্র কলমের দাগটানা জিরো, দ্বিতীয় বর্ষেও এমন ঘটনা, তৃতীয় বর্ষে আবার রসূল (৩৫) ইনকোর্স মার্ক না দিয়ে তার পাওয়ার দেখিয়ে মোছাঃ মাসূরাকে দিয়ে বলাতো ঠিকঠাক ভাবে ইনকোর্স মার্ক দেয়া হয় তিন বছর যাবৎ ভোগান্তিতে । এরকম ঘটনা খুবই কম, চোরে শোনেনা ধর্মের কাহিনি। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা রহস্যময় ব্যাপার। এ সকল শিক্ষকদের জুতার মালা দিয়ে বরন করলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দ খুশি হবেন। এরা শিক্ষক নামে কলঙ্কিত। মানুষ রুপের শয়তান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ