মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৩:২০ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

গাজীপুরে পেঁয়াজের রোগের প্রাদুর্ভাব ও এর ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রারম্ভিক কর্মশালা

মোহাম্মদ মনজুরুল হক গাজী, গাজীপুর।
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২২

গাজীপুরে পেঁয়াজের রোগের প্রাদুর্ভাব ও এর ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রারম্ভিক কর্মশালা

 

গাজীপুরে ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট’ (বারি) এর উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব্ব বিভাগের আয়োজনে ১৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) “পেঁয়াজের ফলন পূর্ব ও পরবর্তী প্রধান প্রধান রোগের প্রাদুর্ভাব এবং এর ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক দিনব্যাপী প্রারম্ভিক কর্মশালা বারি’র সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কেজিএফ এর অর্থায়নে আয়োজিত এ প্রারম্ভিক কর্মশালায় বারি’র বিভিন্ন বিভাগ ও কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বিজ্ঞানীবৃন্দ এবং কেজিএফ এর কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সকালে বারি’র মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। বারি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) এর নির্বাহী পরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস। এছাড়াও কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারি’র পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. কামরুল হাসান, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. রীনা রানী সাহা, কেজিএফ’র সিনিয়র স্পেশালিস্ট (ফিল্ড ক্রপ) ড. নরেশ চন্দ্র দেব বর্মা এবং কেজিএফ’র পরিচালক (ক্রপ এন্ড ন্যাচারাল রির্সোস) ড. মো. আককাছ আলী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারি’র উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. মো. মতিয়ার রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. মো. মনিরুল ইসলাম।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, আমাদের দেশে প্রতি বছর পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২২ লক্ষ মেট্রিক টন। কিন্তু আমাদের দেশে বছরে গড়ে মোট পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ১৯.৫৪ লক্ষ মেট্রিক টন। উপরন্তু ফলন পূর্ব ও পরবর্তী বিভিন্ন প্রধান প্রধান রোগ ও অন্যান্য কারণে মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ৩০-৪০ ভাগ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতি বছর আমরা মাত্র ১৩-১৪ লক্ষ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভোগের জন্য পেয়ে থাকি। সে কারণে প্রতি বছর আমাদের প্রায় ৮-১০ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ফলন পূর্ব ও পরবর্তী বিভিন্ন কারণে পেঁয়াজকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করা গেলে আমাদের আর যেমন পেঁয়াজ আমদানি করা লাগবে না তেমনি আমরা বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করতে পারবো। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত: ফলন পূর্ব ও পরবর্তী বিভিন্ন প্রধান প্রধান রোগ ও অন্যান্য কারণে পেঁয়াজ যেন নষ্ট হয়ে না যায় সেসব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ