রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:০০ অপরাহ্ন
ঘোষণাঃ
• বাংলাদেশ প্রতিবেদন-এর 'প্রতিনিধি সম্মেলন ২০২১' আগামী ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। • দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। • বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। • করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষয়ক্ষতি ২০ কোটি

/ ৫৮ /২০২১
প্রকাশকালঃ সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার।।

কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী শফিউল্লাহকাটা ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি, লার্নিং সেন্টার, শিশু পার্কসহ অন্তত ৫০০টি স্থাপনা পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এসময় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ দগ্ধ হয়েছে। আহতদের উখিয়া এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দগ্ধ এক শিশুর অবস্থা আশংকা জনক বলে জানা গেছে।
রোববার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছেন ওই ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন।
তিনি জানিয়েছেন, ক্যাম্পের একটি বসতঘরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে।
বিকেল সাড়ে ৫টায় পালংখালীর ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে। ক্যাম্পের লোকজন, এপিবিএনের সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ১৬ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা নুরুল আমিন বলেছেন, ‘আগুন দেখার পর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেরিয়ে এসেছি। আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন।’
টিকা এনজিও’র কো- অর্ডিনেটর মো. ফারুক জানিয়েছেন, তাদের পরিচালিত রোহিঙ্গা শরনার্থী শিশুদের জন্য স্থাপিত একমাত্র শিশু পার্ক,ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র, অফিস কক্ষ, বসত ঘর ৪৪০টি,হোস্ট কমিউনিটি ১৬ ঘর, ৬টি মসজিদ. ৪ টি মাদ্রাসা, ৪টি স্কুল ও ১৪ টি বড় টিউবওয়েলসহ অন্যান্য মালামাল পুঁড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ অন্তত ২০ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুড়ে যাওয়া বসতবাড়ী গুলো টিকা ও আফাদ এনজিও’র দেয়া বলে জানা গেছে।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ এমদাদ হোসেন বলেছেন, ‘সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। আগুনে নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট কাজ করেছে। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো নিরুপণ করা যায়নি।’
এর আগে চলতি বছরের গত ২ জানুয়ারি (রোববার) উখিয়ার ২০ এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি করোনা আইসোলেশন সেন্টারে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। এতে কেউ হতাহত হননি। তবে, হাসপাতালটির ৭০ শয্যা পুড়ে গিয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১০ হাজারের বেশি ঘর পুড়ে যায়। আগুনে ১১ জন মারা যান। ক্ষতিগ্রস্ত হন ২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories