বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কুষ্টিয়ার পৌর সড়ক গুলোর নাম ভোগান্তি

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১

কুষ্টিয়ার পৌর সড়ক গুলোর নাম ভোগান্তি।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কুষ্টিয়ার বেশিরভাগ সড়কই খানা-খন্দে ভরা। হরহামেশাই ঘটছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনা। ফলে সড়কে নামলেই পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের অর্ধেকের বেশি সড়কেরই বেহাল দশা। কুষ্টিয়া পৌর এলাকার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ এসব সড়ক। বছরের পর বছর এমন অবস্থা থাকলেও দেখার যেন কেউ নেই। যদিও পৌর কর্তৃপক্ষ বলেছিলেন চলতি বছরের মধ্যেই শহরের সব সড়ক চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।
বিগত কয়েক বছর ধরেই বেহাল দশা শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কোর্ট স্টেশনের পাশ দিয়ে হাসপাতাল মোড় হয়ে রাজা রাম চন্দ্র রায় চৌধুরী সড়ক থেকে মোল্লাতেঘরিয়া পর্যন্ত বিচারপতি মাহাবুব মোর্শেদ সড়কটির ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল, শহরের সবচেয়ে বড় তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, তিনটি সরকারি কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য অপরিহার্য এ সড়কটি। কিন্তু জায়গায় জায়গায় খানা-খন্দের কারণে প্রায় এক কিলোমিটার এ সড়কে যানজট নিত্যসঙ্গী। সামান্য একটু রাস্তা পার হতে বসে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

দুর্ভোগের আরেক নাম কুষ্টিয়া হাসপাতাল সড়ক। মেডিকেল কলেজ, প্রধান ডাকঘর, জজকোর্ট, ডিসি কোর্ট, খাদ্য অফিস, স্কুলসহ গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে যেতে হয় এ সড়ক দিয়ে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে এ সড়কের বিকল্প নেই। কিন্তু পিচ, ঢালাই কিছুই নেই এ রাস্তায়। কিছ দূর পার না হতেই দেখা যায় বড় বড় গর্ত। কিন্তু উপায় না থাকায় মুমূর্ষু রোগী নিয়ে ভাঙা-চোরা এ সড়ক পেরিয়েই প্রবেশ করতে হয় হাসপাতালে। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
বর্ষাকালে একটু বৃষ্টি হলেই জমে যায় হাঁটু পানি। এছাড়াও শহরের অর্জুনদাস আগরওয়ালা সড়ক, আমলাপাড়া, টালিপাড়া, জেলখানা রোড, চৌড়হাস, কোর্টপাড়া, বড় স্টেশন রোডসহ বিভিন্ন সড়কেরও একই অবস্থা।

শহরের অধিকাংশ সড়কের বেহাল দশার কথা স্বীকার করেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, এসব সড়কের বেশিরভাগেরই সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি সড়কে কাজও শুরু হয়েছে। তবে ঠিকাদারদের গাফিলতির কারণে কয়েকটি সড়কে কাজ শুরু করা যায়নি। বার বার তাগাদা দেয়ার পরও লকডাউন এবং বর্ষার অজুহাত দেখিয়ে কাজ শুরু করতে গড়িমশি করছে ঠিকাদাররা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ