মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

পর্যটক ধর্ষণের ঘটনায় ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা : গ্রেফতার-১

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার।।

কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে এক পর্যটক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত নামাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষিতা পর্যটকের স্বামী বাদী হয়ে ২৩ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামী ছোটনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুনির উল গীয়াস।
ওই নারীর স্বামী বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় আসামীরা হলেন,
কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার করিমের ছেলে আশিকুর ইসলাম আশিক, একই এলাকার মোঃ বাবু (২৫), ইসরাফিন হুদা জয় উরফে জয়া (২৮) ও জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন উরফে ছোটন (৩০)। মামলায় আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।কক্সবাজার থানার মামলা নাম্বার-৪৩, তাং-২৩/১২/২০২১ইং।
ধর্ষণের শিকার হওয়া জিয়া গেস্ট ইন হোটেল ম্যানেজার ও মামলার এজাহার নামীয় আসামী রিয়াজ উদ্দিন ছোটন (৩৩) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫। এর আগে হোটেলটির সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দুইজনকে শনাক্ত করে র‍্যাব।

র‍্যাব-১৫ এর ভাষ্যমতে, ওই দুই যুবক হলেন কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম আশিক ও আব্দুল জব্বার জয়। আরেকজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এজাহারভুক্ত একজনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মোঃ আবু সালাম চৌধুরী। এজাহারভুক্ত তিনজনকেও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।
গত ২২ ডিসেম্বর বুধবার রাতে কক্সবাজার শহরের কলাতলি হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামের হোটেল থ এক নারী পর্যটককে উদ্ধার করা হয়।

ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, তিনি এবং স্বামী ও আট মাসের সন্তানসহ বুধবার বিকেলে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে যান। সেখানে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়। সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার সন্তান ও স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি সিএনজি অটোরিকশায় তাকে তুলে নেয় তিন যুবক। একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে গিয়ে ওই যুবকেরা তাকে ধর্ষণ করেন।

এরপর তাকে জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ১০২ নং কক্ষে তারা তাকে আবার সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে স্বামী-সন্তানকে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে রুমে রেখে বাহিরে তালা বন্ধ করে চলে যান। পরে তিনি জানালা দিয়ে রিমোটের ব্যাটারী ফেলে নিচে থাকা লোকজনের সাহায্য নিয়ে নিজেকে উদ্ধার করেন। র‍্যাবের সহায়তায় তার স্বামী-সন্তানকে পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে র‍্যাব।
এতে দেখা যায়, তিন যুবক সিএনজি অটোরিকশায় এক নারীকে নিয়ে আসেন। দুজন ওই নারীর সঙ্গে থাকেন। আরেকজন হোটেলের রুম বুকিং দেন। সে সময় রিসিপশনে হোটেলের ব্যবস্থাপক ছোটন ছিলেন। এরপর তিন যুবক ওই নারীকে নিয়ে ওপরে ১০২ নং রুলো চলে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে যুবকরা বেরিয়ে গেলেও ওই নারীকে নামতে দেখা যায়নি।
র‍্যাব জানায়, এই ফুটেজ থেকে দুজনকে শনাক্তের পর ওই নারীকে তাদের ছবি দেখানো হয়। তিনি তাদের চিনতে পেরেছেন।
কক্সবাজার র‍্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। বিষয়টি নিয়ে ছায়া তদন্ত চলছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ