বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

কক্সবাজারে দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা!

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার।।

প্রথমে দুই কন্যা সন্তানকে কীট নাশক পান করিয়ে হত্যার পর মা নিজেই গলায় ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
২২ ডিসেম্বর বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও থানাধীন ইসলামপুর ইউনিয়নের উত্তর নাপিতখালী গ্রামে চাঞ্চল্যকর অথচ মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে।
এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, ঈদগাঁও উপজেলা ইসলামপুর ইউনিয়নের উত্তর নাপিতখালী গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে শহীদ উল্লাহর সাথে ঈদগাঁও মধ্যম ভোমরিয়া ঘোনা গ্রামের নুরুল কবিরের মেয়ে ইমতিয়াজ খানম জিসানের সাথে ইসলামী শরীয়া মতে বিয়ে হয়।
তাদের সংসার জুড়ে আসে ( ৫ বছর ও ২ বছর ) বছর বয়সী দুটি কন্যা সন্তান।
তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন পারিবারিক কলহ চলে আসছিল।

বুধবার ২২ ডিসেম্বর বুধবার বিকাল ৫ টার দিকে (আছরের নামাজের পর) মা ইমতিয়াজ খানম জিসান (২৪) প্রথমে দুই কন্যা জাবিন (৫) ও জেরিন (২) শিশুকে হত্যার পর মা নিজে গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
স্থানীয়রা আরও জানান, ঘটনার পরপরই প্রতিবেশওরা লাশ উদ্ধার করেন।
আত্মহনন করা গৃহবধু জেরিনোর স্বামী শহীদ উল্লাহ একজন লবন ব্যবসায়ী।
ঘটনার সময় তিনি বাড়ী ছিলেন না। ব্যবসায়ীক কাজে কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আলম। কেউ কেউ বলছে, তিনি সকালে বাড়ীতে ছিলেন।

তবে, এলাকাবাসী এই ঘটনাকে রহস্যঘেরা৷ মনে করছেন।
ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. আবদুল হালিম বলেন, ২ কন্যা সন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার ঘটনাটি শুনেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পিবিআই ফরেনসিক বিভাগও ঘটনাস্থলে এসেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। কেন, কি কারণে এধরনের ঘটনা ঘটেছে, পরে বিস্তারিত জানা যাবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ