রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
ঘোষণাঃ
• বাংলাদেশ প্রতিবেদন-এর 'প্রতিনিধি সম্মেলন ২০২১' আগামী ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। • দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। • বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। • করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

কক্সবাজারে উদ্ধার হওয়া দু’টি মায়া হরিণের ঠাঁই হলো শেখ মুজিব সাফারী পার্কে

/ ৮৩ /২০২১
প্রকাশকালঃ রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার।।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন বাঘখালী রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে উখিয়ার ঘোনার চৌধুরী খামারের রহমত উল্লাহর বাড়ি থেকে দুইটি মায়া হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া মায়া হরিণ দুটির ঠাঁই হয়েছে চকরিয়া ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কে। ৪ ডিসেম্বর বিকালে হরিণ দুটি সাফারী পার্ক কতৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মা ও ছেলে হরিণ দুটিরই চিকিৎসা চলছে এবং সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সাফারী পার্ক ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মাজহারুল ইসলাম।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, বাঘখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সরওয়ার জাহানের নেতৃত্বে গত ৩ ডিসেম্বর রাতে একদল বনকর্মী ও পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামু উখিয়ার ঘোনার চৌধুরী খামারের রহমত উল্লাহর বাড়ি অভিযান চালায়। এসব মা ও শাবক দুটি মায়া হরিণ উদ্ধার করা হয়।
বনবিভাগ সূত্রে আরো জানা যায়, স্থানীয় রহমত উল্লাহ নামে এক ব্যক্তি মা হরিণসহ শাবক ধরে পাচারের উদ্দেশ্যে বাড়ীতে আটক রেখেছিল।
বাঘখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সরওয়ার জাহান বলেন, পুলিশ ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে মায়া হরিণ দুটি ( মা ও শাবক) উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মায়া হরিণ আটক রাখা ব্যক্তি রহমত উল্লাহকে আসামী করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সেইব দ্যা নেচার অব বাংলাদেশ চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন।
অ‌ভিযা‌নে আ‌রো উপ‌স্থিত ছি‌লেন, বাঘখালীর বিট কর্মকর্তা র‌বিউল ইসলাম ও রামু থানার একদল পুলিশ।
রেঞ্জ কর্মকর্তা সরওয়ার আরও জানান, ৪ ডিসেম্বর বিকালে মা ও শাবক হরিণ দুটি ডুলাজাহারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কে হস্তান্তর করা হয়েছে।ডুলাহাজার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মাজহারুল ইসলাম বলেন, মা ও শাবক হরিণ দুটিরই চিকিৎসা চলছে এবং সুস্থ রয়েছে।

সাফারী পার্কের ভেটেরিনারি চিকিৎসক ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মা ও শাবক হরিণ দুটিকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। মায়া হরিণ দুটি এখন সুস্থ।

এব্যাপারে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, বন্যপ্রাণী ও বন্যহাতি সংরক্ষণে বনবিভাগ সজাগ ও সতর্ক রয়েছে। মায়া হরিণ হচ্ছে বনের। বনের হরিণ আটক করে তা ঘরে পালনে কারো অধিকার নেই। কোন ব্যক্তি বন্য প্রাণী ধরে পালন করা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ।
তিনি বলেন, কক্সবাজারের জনগণের কাছে আমাদের অনুরোধ, কোন ব্যক্তি যাতে বন্যপ্রাণী লালন পালন তথা শিকার না করে। যদি কোন ব্যক্তি এ ধরণের কাজে জড়িত থাকে তাহলে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। বন্যপ্রাণী ও বন্যহাতি সংরক্ষণে বনবিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত টহল সহ নানা ধরণের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories