বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

আসুন দুই কিডনি হারানো অসহায় রফিকের পাশে দাঁড়ায়

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ শনিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১

আসুন দুই কিডনি হারানো অসহায় রফিকের পাশে দাঁড়ায়।

এম.মতিন/চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন মোঃ রফিক (৩৫)। তার উপার্জনের টাকায় চলতো পুরো পরিবার। এখন তার শরীরের দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী। প্রতিনিয়তই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি। তাকে বাঁচাতে হলে কিডনি প্রতিস্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন চিকিৎকরা। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় আছেন।

কিডনি রোগাক্রান্ত রফিকুল আলম চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ধামাইরহাট খোন্দকার পাড়া গ্রামের মৃত মমতাজুল হকের একমাত্র সন্তান।

জানা যায়, রফিকের দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। আর্থিক অভাব অনটনে সু-চিকিৎসার অভাবে সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার। রফিকের বাবা নেই, অভাবের সংসারে সংগ্রাম করে মা, স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে বেঁচে আছেন তিনি। বাবা বেঁচে না থাকায় পরিবারের সকল দায়িত্ব ছিল তার ওপর। তিনিই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারনে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। সামান্য ভিটেমাটি ছাড়া যেটুকু জমি জমা ছিলো সব বিক্রি করে এতোদিন চিকিৎসার খরচ চালিয়েছে।

এদিকে রফিকের স্ত্রী শিফা আক্তার একটি কিডনি দিতে চাইলেও টাকার অভাবে প্রতিস্থাপন করতে পারছেন না। কিডনি প্রতিস্থাপন করতে ০৮ -১০ লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে জানান চিকিৎসকরা। ইতোমধ্যে সহায় সম্বল বিক্রি করে চিকিৎসা খরচ চালিয়ে পরিবারটি এখন নিঃস্ব। আর্থিক অস্বচ্ছলতায় কিডনি প্রতিস্থাপনের এত টাকা যোগাড় করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে তার স্ত্রী সমাজের হৃদয়বান, বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজের চিকিৎসায় আর্থিক সাহায্যের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

তার স্ত্রী শিফা আক্তার বলেন, ‘সপ্তাহে দুইদিন ডায়ালাইসিস করাতে হয়। এছাড়া ঔষধ ও অন্যান্যসহ ১৫-১৭ হাজার টাকা খরচ হয়। এতোদিন চিকিৎসা করানো হলেও খরচ ব্যয়বহুল হওয়ায় টাকার অভাবে এখন আর উন্নত চিকিৎসা করানো যাচ্ছেনা। এখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। কি করব ভেবে পাচ্ছিনা। তাই স্বামীর চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলেই আমার স্বামী আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পাবে।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-
মোঃ রফিকুল আলম
হিসাব নং ১৭৩৫০১০০১৪৮৩২, রূপালী ব্যাংক, লিচু বাগান শাখা, চট্টগ্রাম।
মোবাইল নং ০১৮৫৭-৬৭ ১৭ ০৬ (বিকাশ ও নগদ পারসোনাল)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ