বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

আমনে বাম্পার ফলনে মিরসরাইয়ের কৃষকের মুখে হাসি

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১

আমনে বাম্পার ফলনে মিরসরাইয়ের কৃষকের মুখে হাসি।

জুয়েল নাগ,মিরসরাই প্রতিনিধিঃ

এবছর চ্ট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবছর ২১ হাজার ৭ শত হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয় যা গত বছরের তুলনায় ৮৫০ হেক্টর বেশী।
এতে মিরসরাই কৃষকরা বেজায় খুশি।তবে দাম আরো বেশী পেলে ভালো লাভ হতো বলে মনে করে কৃষকরা।
কৃষি অফিসের তথ্যমতে এবার ১ লক্ষ ৪ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন ধান ও ৫৯ হাজার ৪৪০ মেট্রিকটন চাউল উৎপাদনে লক্ষমাত্রা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবারের লক্ষমাত্রা পূরন হবে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।
এবছর আড়ি প্রতি ধানের সর্বোচ্চ মূল্য হচ্ছে ২৭০/২৮০ টাকা।তবে চাউলের দাম তুলনায় অনেক কম। আড়ি প্রতি ৩০০ টাকার উপরে হলে কৃষক লাভবান হয়।
ইতিমধ্যে অনেকে ধান মাড়াই শুরু করেছে,কিছু কিছু উঁচু এলাকায় ধান তোলা শেষ।
জোরারগন্জ এলাকার কৃষক বাবুল নাথ তার আমনের ফসলে খুশি।তবে কিছু কিছু জমিতে গুনগুনি পোকার আক্রমণ করায় ফলন কমে গেছে।কৃষকরা জানান। পোকা গুলি ধানের গোড়ায় চুষে ফেলে তাই ধানে চিটা হয়ে ফলন অর্ধেক হয়।এদিকের অনেক জমিতে এ সমস্যা দেখা গেছে।

উপজেলার জোরারগন্জ এলাকার দেওয়ানপুরের কৃষক বিভূতি মজুমদার বলেন অতি বৃষ্টি না হাওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। কিছুকিছু জমিতে ইঁদুরের উৎপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসল। ফসলের দাম আরো বেশী হলে লাভবান হবো।

উপজেলায় মিঠানালা গ্রামের কৃষক শামীম বলেন এবার সন্তোষ জনক ফলন হলেও ধানের বাজার কম আমাদের লাভের হার কম।তবে সারা বছর খোরাকীর জন্য চাষ করি বললেন তিনি।

মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রঘুনাথ নাহা বলেন আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমাদের লক্ষমাত্রা পূরন হবে। বিভিন্ন স্থানে প্রতিবারের মত কিছুকিছু সমস্যা সৃষ্টি হয় তা আমরা সমাধানে কৃষকদের মাঝে সেটা সমাধানের চেষ্টা করি। আমাদের মাঠপর্যায়ে কাজের কারনে ও কৃষকরা বাড়তি পরিচর্যা করায় ভালো ফলন হয়েছে।
আশা করি কৃষকরা তাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাবে।
আগামীতে আমাদের উৎপাদনের লক্ষমাত্রা বাড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ