শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

কৃষককে কুপিয়ে হত্যার দায়ে, ৩ জনের যাবজ্জীবন

/ ২১ /২০২১
প্রকাশকালঃ বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১

কৃষককে কুপিয়ে হত্যার দায়ে, ৩ জনের যাবজ্জীবন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় আব্দুল ওয়াহেদ (৫৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার দায়ে তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একই সঙ্গে উভয়কে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত ।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার সুগ্রীবপুর গ্রামের মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে মনি পাল, একই গ্রামের মৃত চাঁদ আলীর ছেলে আব্দুল খালেক এবং মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে আনোয়ার আলী। তাদের মধ্যে আসামি আব্দুল আজিজ পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় অপর আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল খালেক এবং আনোয়ার আলীকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলার অপর ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৭ জুলাই রাতে আব্দুল ওয়াহেদের বাড়িতে আজমতের একটি গরু প্রবেশ করে। তখন আব্দুল ওয়াহেদ লাঠি দিয়ে মেরে গরুটিকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় আসামি আব্দুল আজিজের হুকুমে আজমত আলীসহ একদল মানুষ লাঠিসোটা, ছেন্দা, রামদা, রড এবং হাতুড়ি নিয়ে আব্দুল ওয়াহেদের ওপর হামলা করে।

ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয় আব্দুল ওয়াহেদ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ জুলাই দুপুরের দিকে আব্দুল ওয়াহেদের মৃত্যু হয়।

কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। সেদিন নিহত আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে ইবি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ইবি থানা পুলিশের এসআই হাবিবুর রহমান আসামির বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ২৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার আদালত এ রায় দেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী বলেন, ‘রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল খালেক এবং আনোয়ার আলীকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি আব্দুল আজিজ পলাতক রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories