শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

নওয়াজ কি সত্যি আউট ছিলেন?

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১

জয়টা ছিল টাইগারদের হাতের মুঠোয়। শেষ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল এক বলে দুই রান। এক রান নিলে ম্যাচ গড়াতো সুপার ওভারে। ডট বল পেলে জয়ে ভাসতো বাংলাদেশ। কিন্তু তখনো নাটকীয়তা বাকি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ শেষ বল ছুড়লেও মোহাম্মদ নওয়াজ মোকাবেলা না করে সরে দাঁড়ালেন। বলটা স্টাম্প ভাঙল। কিন্তু আম্পায়াররা আউট দিলেন না। আসলে তখনই জয়টা টাইগারদের হাতছাড়া হয়ে যায়। শেষ বলে চার মেরে জয় ছিনিয়ে নেন নওয়াজ।

মাহমুদউল্লাহ বলটা করলেন আম্পায়ারের পিছন থেকে। সেটা দেখেই বল ছোঁড়ার পর নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে ক্রিজ থেকে খানিকটা সরে যান মোহাম্মদ নওয়াজ। টাইগার ক্যাপ্টেন এ নিয়ে নওয়াজের কাছে কিছু জিজ্ঞাসাও করেন। উত্তরে মাহমুদউল্লাহ সন্তুষ্ট হন। ফলে বলটি হয়ে ‘ডেড বল’।

সরে যাওয়ার মতো নওয়াজের মাঝে কোনো ধরনের অস্বস্তি চোখে পড়েনি মাহমুদউল্লাহর বলটি উইকেটে পিচে ড্রপ করার পর স্টান্স থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। ক্রিকেটের নিয়মে, এসব ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত আম্পায়ারের। তিনিই ঠিক করবেন, ব্যাটসম্যান আসলেই অপ্রস্তুত ছিলেন কী না।

 

নওয়াজের আউট নিয়ে মাঠের আম্পায়ার তানভীর আহমেদের সঙ্গেও কথা বলেন মাহমুদউল্লাহ। আম্পায়ারের সঙ্গে কথোপকথন নিয়ে ম্যাচ শেষে রিয়াদ বলেন, ‘শুধু আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম এটা ফেয়ার বল কি না, কারণ ও (নওয়াজ) অনেক শেষ মুহূর্তে মুভ করেছে। এর বাইরে কিছু না। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমরা আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাচ্ছি।’

প্রথম টি-টোয়েন্টির মতো তৃতীয় শেষ টি-টোয়েন্টিও জয়ের কাছাকাছি গিয়েও হারল বাংলাদেশ। এতে করে হোয়াইটওয়াশও এড়ানো গেল না। জয় ধরা না দেওয়াকে দুর্ভাগ্য হিসেবেই দেখছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ, ‘দুটি ম্যাচ যদি জেতা যেত তাহলে টিমের আত্মবিশ্বাসটা আরও ভালো থাকত। যেরকম অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় আমাদের ড্রেসিংরুমটা উৎফুল্ল ছিল। অবশ্যই দল হারলে সব টিমমেটেরই খারাপ লাগে। অনেক ডাউট ক্রিয়েট হয়। আমার মনে হয় ছেলেরা সবাই চেষ্টা করেছে, জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফলটা আমাদের পক্ষে আসেনি।’

দলের তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে বেশ আশাবাদী মাহমুদউল্লাহ, ‘অনেক নতুন ছেলে, যারা অভিষিক্ত হয়েছে। সাইফ ডেব্যু করেছে। আজ শহীদুল করেছে এবং বেশ ভালো বোলিং করেছে। এটা তরুণদের জন্য খুব ভালো সুযোগ তৈরি করেছে। তবে আমার মনে হয় একটু সময় লাগবে। কেননা টি-টোয়েন্টিটা এতটা সহজ না। বিশেষ করে তরুণদের জন্য। আমি মনে করি তারা এটি ম্যানেজ করে নেবে এবং সামনে তারা খুব ভালো পারফর্ম করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ