শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

চাল কেটে বিক্রি করা অটো রাইসমিলের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

/ ৩২ /২০২১
প্রকাশকালঃ রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১

চাল কেটে-ছেঁটে মিনিকেট বা নাজিরশাইল নামে বিক্রি করা অটো রাইসমিলের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সাথে এই কাটাছাঁটা চালে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে কি না, এবং পুষ্টিমানের ক্ষতি হয় কি না, সে বিষয়ে গবেষণা করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চার মাসের মধ্যে এই প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন চাল কেটে-ছেঁটে পুষ্টিগুণ নষ্ট করে বাজারজাত বন্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন হাইকোর্ট।

পাশাপাশি এসব কাটাছাঁটা চাল বিক্রি বন্ধে নির্দেশনা বা গাইডলাইন তৈরি করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, খাদ্যসচিব, কৃষিসচিব, বাণিজ্যসচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআই এবং অটো রাইস মিলস মালিক সমিতির সভাপতি-সেক্রেটারিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান।

উল্লেখ্য, বাজারে মিনিকেট নামে নামে যে সরু চকচকে চাল পাওয়া যায় এই জাতের কোনো ধানই নেই। মূলত বিশেষ প্রক্রিয়ায় ঘষে-মেজে মোটা চাল সরু ও চকচকে করা হয়। দেশে অটো রাইসমিল আসার পরই কেবল এটি শুরু হয়েছে। প্রথমেই ঘর্ষণের মাধ্যমে ধানের বাইরের খোসা (তুষ) আলাদা ও পরবর্তী সময়ে অপসারণ করা হয়। এরপর ব্রাউন চালকে স্লিম ও চকচকে সাদা করতে হোয়াইটেনার ও পলিশার নামে দুটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। ঘর্ষণকে কাজে লাগিয়ে চালের বাইরের বাদামি বর্ণের আবরণটিকে এমনভাবে সরিয়ে ফেলা হয়, যাতে করে চালটি অনেকটাই স্লিম হয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories