বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০২:১২ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

জর্দা ব্যবসায়ী সেই কাউছ মিয়া এবারও সেরা করদাতা

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১

এবার সেরা করদাতা মনোনীত হয়েছেন পুরান ঢাকার জর্দা ব্যবসায়ী কাউছ মিয়া। ২০২০-২১ করবর্ষে ব্যবসায়ী শ্রেণিতে ব্যবসায়ী ক্যাটাগরিতে এই ব্যবসায়ী সেরা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন।

এরই স্বীকৃতি হিসেবে বিগত কয়েক বছরের মতো এ বছরও তাকে ব্যবসায়ী ক্যাটাগরিতে ট্যাক্স কার্ড দেওয়া হবে। তিনি হাকিমপুরী জর্দা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক। বর্তমানে তিনি থাকেন রাজধানীর আগা নওয়াব দেউড়ি লেনে।

কাউছ মিয়ার মূল ব্যবসা তামাক বেচাকেনা। রংপুরে তামাক কিনে সেখানেই বিক্রি করেন। নদীপথে পণ্য পরিবহনের জন্য বেশ কিছু কার্গো জাহাজ আছে কাউছ মিয়ার।

কাউছ মিয়া প্রায় ছয় দশক ধরে নিয়মিত কর দিয়ে আসছেন। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দেন তিনি।

১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এক নম্বর করদাতা হয়েছিলেন কাউছ মিয়া। মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ১৯৫০ সালে চাঁদপুরের পুরান বাজারে মুদি দোকান দেন কাউছ মিয়া। এর পর ১৮টি ব্র্যান্ডের সিগারেট, বিস্কুট ও সাবানের এজেন্ট হন তিনি। পরের ২০ বছর তিনি চাঁদপুরেই ব্যবসা করেন। ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন এবং তামাকের ব্যবসা শুরু করেন।

এরপর পুরান ঢাকায় তামাক বেচাকেনার সম্প্রসারণ ঘটান। বর্তমানে ৪০-৪৫ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রবীণ এ ব্যবসায়ী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ