শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০২:১১ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে জবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

/ ৩৯ /২০২১
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১

অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে জবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

শেখ শাহরিয়ার হোসেন, জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অবস্থা খুবই শোচনীয়।

শহীদ মিনারের উপরে পড়ে থাকা পুরু ধুলোর আস্তরণ যেন জানান দিচ্ছে তার প্রতি অবহেলার কথা। এছাড়া যেহেতু দেশের অন্য শহীদ মিনারের সাথে জবির শহীদ মিনারের কোনো সাদৃশ্য নেই এবং এটিকে চেনার জন্য কোনো সাইনবোর্ড না থাকায় অনেকে এটিকে স্থাপত্যশিল্প মনে করে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে ওঠে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শহীদ মিনারের চারপাশে থাকা রেলিংগুলোর অনেকাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। শহীদ মিনারের ভেতরে শিক্ষার্থীরা আড্ডা দিয়ে খাওয়াদাওয়া করার পরে খাবারের প্যাকেট এবং প্লাস্টিকের বোতল ফেলে যায়। এছাড়া সিড়িতে ধুলাবালি জমে থাকে এবং টাইলসও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় থাকার ফলে মিনারে যে সাদা রং দেয়া আছে তা নষ্ট হয়ে এখন কালো হয়ে গিয়েছে যা দেখতেও এখন দৃষ্টিকটু লাগে।

বহিরাগত কয়েকজন জুতা পায়ে আড্ডা দেওয়ার সময় তাদের কাছে এর কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, দেশের সকল শহীদ মিনার দৃশ্যত একই রকম। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারটি একটু ভিন্ন ধরনের হওয়ায় প্রথমে আমরা এটাকে বসে সময় কাটানোর জন্য একটি স্থাপত্য ভেবেছিলাম। তাছাড়া অনেককে জুতা পড়েই উপরে উঠে বসে থাকতে দেখে আমরাও ভেবেছি এখানে বসে থাকা যায়। আর আশেপাশে কোনো সাইনবোর্ডও দেখিনি।

শহীদ মিনারটির এমন শোচনীয় অবস্থা দেখে দুঃখ প্রকাশ করে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ রহমান বলেন, মাতৃভাষার রক্ষার্থে শহীদ হওয়া একমাত্র জাতি আমরা। শহীদদের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ মিনারের এমন শোচনীয় অবস্থা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সংগঠন শহীদ মিনার পরিচ্ছন্ন রাখার অঙ্গিকার করলেও শহীদ দিবসের সময় ছাড়া এই অঙ্গিকার বাস্তবায়িত হয় না।

এ ব্যাপারে পরিবেশ উন্নয়ন ও পরিচ্ছনতা কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, শহীদ মিনার অপরিষ্কার হওয়ার বিষয়টি দেখেছি। কিন্তু শুধু ঝাড়ু দিয়ে ময়লা উঠছেনা। তাই আরো অন্যান্য উপকরণ দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করতে হবে। আমরা গতকাল পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিচ্ছন্নতা কমিটির মিটিং করেছি। এই বিষয়টা আলোচনা হয়েছে, আজকে কাজ হয়ে যাবে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা বিষয়টি দেখছি। আমাদের অনেক শিক্ষার্থীই জুতা পায়ে উঠে। অনেক বহিরাগতও এমনভাবে অবমাননা করে। আমরা কয়েকজনকে সতর্কও করেছি। এরপর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর সাইনবোর্ডও দ্রুতই লাগানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories