শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

মুরাদনগরে কৃমি-নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহে শিশুদের ঔষধ বিতরণ

প্রিয়ন্ত মজুমদার, কুমিল্লা ব্যুরোঃ / ৪৭ /২০২১
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১

ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃমিনাশক ঔষধ বিতরণ … বাংলাদেশ প্রতিবেদন।

অন্ত্র থেকে ০.২ মিলিলিটার রক্ত শোষণ করে নিতে সক্ষম কৃমি। এলার্জি, চুলকানি, শুকনো কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে কৃমির আক্রমণে। পিত্তথলির নালীতে কৃমি আটকে গিয়ে বৃহৎ জটিলতা হয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী,  বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের উপর কৃমির আক্রমণ অধিক।

লোকমুখে একটি কথা প্রচারিত রয়েছে মিষ্টি জাতীয় খাবার সেবন করলে কৃমি হয়ে থাকে, প্রকৃতপক্ষে এই ধারণাটির কোনো ভিত্তি নেই, কৃমির সাথে মিষ্টি খাবারের কোনো সম্পর্ক নেই। নোংরা – অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অনিরাপদ পানি পান করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং খালি পায়ে যত্রতত্র হাঁটার জন্য কৃমি দায়ী।কৃমি হলে কিছু কিছু উপসর্গ দেখা দেয় যেমনঃ বমি-বমি ভাব, পেট ব্যথা, পেট মোটা বা ভারি হওয়া, খাবারে অরুচি, মুখে থুথু ওঠা এবং কোনো কোনো কৃমিতে পায়খানার রাস্তার পাশে চুলকানি হতে পারে। কৃমি হলে সাধারণত শিশুদের অপুষ্টি দেখা দেয়।

কৃমি হলেও ঔষধ সেবনের মাধ্যমে নিরাময়ের উপায় রয়েছে। নিয়ম মেনে কৃমির ঔষধ সেবন করলে ও কিছু সহজ নিময় অনুসরণ করলে কৃমির আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বাংলাদেশে কৃমি নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচি সর্বপ্রথম ২০০৫ সালে ৩টি জেলায় গ্রহন করা হয়েছিল। জুন ২০০৭ সাল পর্যন্ত ১৬ জেলায়, মে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ২৪ জেলায় এবং নভেম্বর ২০০৮ সালে ৬৪ জেলায় কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। শুরুতে শুধুমাত্র প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫-১২ বছর বয়সীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্টেন, মক্তব, মাদ্রাসা, এনজিও পরিচালিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী প্রদান করা হচ্ছে কৃমি নাশক ঔষধ।

দায়িত্ব প্রাপ্ত ক্ষুদে ডাক্তারা বলেন, ” সহপাঠীদের শরীরের ওজন এবং উচ্চতা পরিমাপ করতে পারছি, তাদের যেকোনো প্রকার শারীরিক অসুস্থতায় শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের সহযোগিতায় নিবিড় পরিচর্যা করতে পারছি, ফলস্বরূপ আমাদের মাঝে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে নিঃস্বার্থভাবে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উৎসাহ জেগে উঠেছে। কৃমিনাশক ঔষধ প্রদান করে সহপাঠীদের কৃমির আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য সহযোগিতা করতে পেরে আমরা খুবই গর্বিত। ”

কৃমিনাশক ঔষধ প্রদানের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুল আলম বলেন,  ” গতবছর করোনার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয় পর্যায়ে কৃমিনাশক ঔষধ প্রদান করা যায়নি, তাই কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে কৃমিনাশক ঔষধ বিতরণ করা হয়েছিল। এ বছর পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় আবারও ক্ষুদে ডাক্তার‌ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃমিনাশক ঔষধ বিতরণ করছি। স্বাস্থ্য সহকারি সহ আমি কৃমিনাশক ঔষধ প্রদানের কার্যক্রম সার্বিক তদারকি করছি। ”

 

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories