শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

তরুণ উদ্যোক্তা আয়াজ নাসিম

এ কে রাসেল / ৬০ /২০২১
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১

তরুণ উদ্যোক্তা আয়াজ নাসিম

তরুণরা ব্যবসায় আসলে বদলে যাবে বাংলাদেশ। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য দরকার মানসিক শক্তি বর্তমানে তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার প্রবনতা বাড়লে ও একটুবাধার মুখে পড়লেই তারা সব ছেড়ে যাচ্ছে অন্য পেশায়। যারা এই বাধা অতিক্রম করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে, তারা সাহস হারায় না, তারই এক দিন সফল উদ্যোক্তা হয়। ঝুঁকি থাকবেই, মনকে ও সেভাবেই গড়তে হবে। কারণ, উদ্যোক্তা কোনো পেশা নয়। অনেকেই এটাকে পেশা মনে করে ভুল করেন।

নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে দেখতে হলে প্রয়োজন সৃজনশীল মনোভাব, নেতৃত্বের ক্ষমতা এবং আকাঙ্ক্ষাশক্তির।
আর এই আত্মনির্ভরশীল হওয়ার লক্ষ্যে ‘মল্লিক গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ’ এর পরিচালক আয়াজ নাসিম বেছে নিয়েছেন এই পথ। তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যবসাকে তুলে ধরেছেন নানান আঙ্গিকে এবং কাজ করে যাচ্ছেন নতুন সম্ভাবনা নিয়ে।

তার দাদার হাত ধরে ১৯৬৫ সালে ব্যবসাটির যাত্রা। তবু ও দেশের জন্যে কিছু করার স্বপ্নে ২০১৬ সালে যুক্ত হয়েছেন ব্যবসায়ে র সাথে। পূর্ব প্রজন্মের অর্জিত সাফল্যের সাথে ৩য় প্রজন্মের
সাফল্যে রয়েছে বিশাল ব্যবধান। শিল্পক্ষেত্রটি ছিল আঞ্চলিক অবস্থানে। আয়াজ নাসিমের নতুন আইডিয়া সাথে প্রযুক্তির ব্যবহার, ব্যবসাকে নিয়ে গেছেন বিশ্বব্যাপী। কোম্পানির পণ্যসামগ্রী
এখন রপ্তানি করছেন বিভিন্ন দেশে। এই পাঁচ বছরের কোম্পানি টার্ন-অভার হয়েছে প্রায় চারগুন বেশি।

ব্যবসার শুরুটা ভোগ্যপণ্য দিয়ে হলেও ২০১৬ সালে পেপারমিলসহ আরো কিছু পণ্য যুক্ত করেন। তাদের রপ্তানি কৃত পণ্য হচ্ছে পাট, পাটের বস্তা, কাপড়, ব্যাগ আর সুতাসহ পেপারমিলের
রাইটিং, প্রিন্টিং অফসেট পেপার। যা ভারত, রাশিয়া, ইউ এস এ, দুবাই– ইত্যাদি রাষ্ট্রে রপ্তানি করা হচ্ছে। আর সামনে আটা ময়দা সহ সিমেন্ট ও রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসাকে আরো গতিশীল করতে কাজ করে যাচ্ছেন জনাব আয়াজ নাসিম। তার ব্যবসার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে প্রতিটি পণ্যই পরিবেশ বান্ধব। সাথে পাটশিল্প দিয়ে
পলিথিন তৈরির ইনোভেশনে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। শুধু তাই নয় নিজের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষের জন্যে ও রয়েছে তার ব্যাপক পরিকল্পনা।

বর্তমানে তার মিলগুলোতে চার হাজারের মতোকর্মী কাজ করছে, তার লক্ষ্য আগামী বছরের মধ্যে এর সংখ্যা দশ হাজারে নিয়ে আসা।

পাবনায় সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে পাঠদানের একটি বিদ্যালয় নির্মাণ করেছেন যেখানে প্রায় সাত’শ শিক্ষার্থী রয়েছে ।
তার মতে মুনাফার পেছনে না ছুটে প্রযুক্তির নতুনত্বকে গ্রহণ করে ব্যবসায় অগ্রসর হওয়া জরুরী। সাথে প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও যথার্থ পরিকল্পনার। নতুন ইনোভেশন না থাকলে ব্যবসা হবে না, এটা সব ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে নতুন পণ্য, নতুন পদ্ধতিতে
সেবাদানের মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রদানও সফলতার জন্য বিশেষ অবদান রাখতে পারে। প্রতিযোগিতা থাকবেই, কিন্তু টিকে থাকার মানসিক শক্তি খুব দরকার তরুণদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories