বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

আমরাও মানুষ আমাদের পরিবার আছে আমাদের বাবা-মা রাও বসে থাকে টিভির সামনে : রিয়াদ

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ড-এর বিপক্ষে হারের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশের জন্য। প্রথম ম্যাচ হারের পর তাদের নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছিল। সাধারণ মানুষ, গণমাধ্যম এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কর্মকর্তারাও কড়া সমালোচনা করেছেন ক্রিকেটারদের।

এসব মোটেও পছন্দ হয়নি অধিনায়কের। পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় জয়ের পর সংবাদ সম্মেলন এসে মাহমুদউল্লাহ নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘সমালোচনা আমাদের স্পর্শ করে। আমরাও মানুষ। আমাদের পরিবার আছে। আমাদের বাবা-মা রাও বসে থাকে টিভির সামনে।

আমাদের বাচ্চারাও খেলা দেখে। তারাও মন খারাপ করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তো এখন মানুষের হাতের নাগালে। সবার মোবাইলে আছে। সমালোচনা তো হবেই। আমরাও আশা করি সমালোচনা হোক। আমরা খারাপ খেলেছি সমালোচনা হবেই। কিন্তু সমালোচনার মাধ্যমে কেউ কাউকে ছোট করে ফেলে সেটা কিন্তু খারাপ লাগে।

অনেক প্রশ্ন এসেছে। আমাদের ব্যাটিংয়ের স্ট্রাইক রেট। আমাদের তিন সিনিয়র ক্রিকেটারের স্ট্রাইক রেট নিয়ে। আমরা তো চেষ্টা করেছি। চেষ্টার বাইরে তো আমাদের কাছে কিছু নেই। এরকম না যে আমরা চেষ্টা করিনি। আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ফল আমাদের পক্ষে আনতে পারিনি। সমালোচনা হবেই। এটা কাম্য। কিন্তু সুস্থ সমালোচনা হলে সবার জন্য ভালো।

আমরাও অনুভব করি। বাংলাদেশের জার্সিটা যখন আমরা গায়ে দেই তখন আমাদেরও সম্মান অনুভব হয়। আমরা দেশের জন্য কতটুকু করি। সবারই ত্যাগ থাকে। কারো ব্যথা থাকে। কারো অনেক ইনজুরি থাকে। ওগুলো নিয়ে আমরা খেলি। দিনের পর দিন আমরা খেলি। পেছনের গল্পগুলো অনেকেই জানে না।


এজন্য কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন করা ঠিক না। আশা করি, এখন কিছুটা স্বস্তি পাবো। সবচেয়ে বড় কথা, দলের ভেতরে যে উদ্রীবতা ছিল ওইটা নেই। এজন্য খেলোয়াড় এবং প্রত্যেক টিম ম্যানেজমেন্টকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। শুধু আমরাই নই। আমাদের স্টাফ, সোহেল ভাই (ম্যাসাজম্যান), রমজান (থ্রোয়ার) প্রত্যেকের ক্রেডিট দিতে হবে। আশা করছি ভালো কিছু হবে সামনে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ