মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

‘সেশন চার্জ’ দাবি করে অভিভাবকদের সমালোচনার মুখে সাউথ পয়েন্ট

বিশেষ প্রতিনিধি / ৫৭ /২০২১
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০২১

‘সেশন চার্জ’ দাবি করে অভিভাবকদের সমালোচনার মুখে সাউথ পয়েন্ট

অনুমোদনহীন ক্যাম্পাস পরিচালনার অভিযোগ না কাটতেই বছরের শেষ দিকে এসে ‘সেশন চার্জ’ দাবি করে অভিভাবকদের সমালোচনার মুখে সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ। যদিও তারা তিন ভাগের এক ভাগ ফি চেয়েছে।

সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এর কয়েকজন অভিভাবক বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সরাসরি ক্লাশ নেয়া বন্ধ থাকলেও প্রতি মাসে সম্পূর্ণ বেতন পরিশোধ করেছেন। এরপরও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা কি পারতেন না এ বছরের তিন মাসের সেশন ফি মওকূফ করতে?

তবে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের চিন্তা করে কোন অভিভাবকই তাদের পরিচয় জানাতে চায়নি।

গত সপ্তাহে এক ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা (বার্ষিক ফি ১৫ হাজার) ও বাংলা মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের জন্য চার হাজার টাকা (বার্ষিক ফি ১২ হাজার) পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে।

সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ মালিবাগ শাখা শিক্ষার্থীদের অভিভাবককে সেশন চার্জ এর তিন ভাগের এক ভাগ দেয়ার নোটিশ দিয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তারা বলছেন এখন সেশন চার্জ নিলে অনেক অভিভাবকই দিতে পারবেন না কারণ করোনা পরিস্থিতি কারণে অনেক অভিভাবক এখন অর্থসংকটে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত।

এ বিষয়ে সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ মালিবাগ শাখার অধ্যক্ষ জেরিন ফেরদৌসককে প্রশ্ন করা হলে বলেন, আমরা পুরো সেশন চার্জ নিচ্ছি না তিন ভাগের এক ভাগ নিচ্ছি যেহেতু দেরিতে ক্লাস শুরু হয়েছে তাই আমরা কমিয়ে দিয়েছি।
তিনি বলেন, সেশন চার্জ  যদি কেউ অপারগতা প্রকাশ করেন আমরা তাদের বিষয়টি দেখব। তবে অভিভাবকদের কাছে পাঠানো মেসেজে সে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। কারণ যদি ম্যাসেজে অপারগ অভিভাবকদের ব্যাপারে শিথিলতার কথা জানানো হয়, তাহলে সবাই গণহারে সুযোগটি নেয়ার চেষ্টা করবেন। তাই আমি বাংলাদেশ প্রতিবেদন এর মাধ্যমে বলতে চাই যদি কেউ যোগাযোগ করে তাহলে ছাড় দেয়া হবে।
প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। গতবছর করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে শিশুদের বাসা থেকে ডেকে এসে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনার শিক্ষাবোর্ডের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে স্কুল সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।
এছাড়াও অনুমতি ছাড়াই একাধিক শাখা ক্যাম্পাস খুলেছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল ও কলেজ। রাজধানীতে শিক্ষা বাণিজ্যে নতুন আর্ভিভাব সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের। প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে গুলশান-১ এর ২২ নম্বর সড়কে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তিতে শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে একই এলাকার ৩ নম্বর সড়কে স্থানান্তর  করে। ২০০৭ সালের ৪ জুলাই বোর্ডের অনুমতিপত্রে তিনটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। শর্তগুলো হলো- বোর্ডের অনুমতি ছাড়া প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা পরিবর্তন করা যাবে না, আগামী দুই বছরের মধ্যে নিজস্ব জমি ও ভবনের ব্যবস্থা করতে হবে। কলেজ ভবনের কোন অংশই অন্য কোন কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
শর্ত লঙ্ঘন করে বোর্ডের তৎকালীন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ২০১১ সালের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটি গুলশান হতে মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় স্থানান্তরিত করা হয়। এ সময়ে আগের প্রথম দুটি শর্ত বহাল রাখা হয়। কিন্তু এই শর্ত লঙ্ঘন করে প্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে গুলশান, উত্তরা, বনানী, মিরপুর, বারিধারায় শাখা ক্যাম্পাস খুলে শিক্ষা বাণিজ্য করছে। যেগুলো এখনো অনুমোদন পায়নি বলে স্বীকার করছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories