শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

বৃদ্ধা মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট ভাইয়ের আঘাতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বড় ভাই

/ ১৮ /২০২১
প্রকাশকালঃ শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

বৃদ্ধা মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট ভাইয়ের আঘাতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বড় ভাই।

টঙ্গিবাড়ী/মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার খলাগাঁও গ্রামে মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট ভাইয়ের আঘাতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে বড় ভাই।

শনিবার সকালে উপজেলার পাঁচগাও ইউনিয়নের খলাগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে,খলাগাঁও গ্রামের মৃত ইসলাম হালদারের স্ত্রী বৃদ্ধা নাজমা বেগম (৭৫) দীর্ঘদিন যাবত স্বামীর বাড়িতে তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছেন।

নাজমা বেগম জানান, বড় ছেলে জাকির হালদার (৫০),মেঝো ছেলে বশির হালদার (৪৫) আমার ভরণ পোষণ করে থাকেন। কিন্তু ছোট ছেলে অলি হালদার (৩৫) আমার ভরণ পোষণ করে না। সে আমার ভরণ পোষণ না করে প্রায়শই আমাকে বকাঝকা ও মারধোর করে।

এর ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার সকালে আমার ছোট ছেলে অলি ও তার স্ত্রী নুপুর পুনরায় জগড়ায় লিপ্ত হয়ে আমাকে মারতে আসে। আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে আমার বড় ছেলে জাকির হালদার ও বশির হালদারকে চাইনিজ কুড়াল, দা ও কাঠের ডাঁসা দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা আশংকাজনক অবস্থায় আহত বশিরকে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠালে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

মুঠোফোনে নাজমা বেগমের বড় ছেলে জাকির হালদার জানান, আমার ছোট ভাই ও তার স্ত্রীর মারধোরে আমার মেঝো ভাই এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে। আমরা তাকে নিয়ে এখন ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি আছি।

নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক তাদের কয়েক জন প্রতিবেশি জানান, অলি হালদার একজন খারাপ প্রকৃতির লোক। সে প্রায়ই তার মাকে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধোর করে।

বৃদ্ধা নাজমা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের জানান, আমি আমার ছোট সন্তানের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। তার ভয়ে আমি বাড়িতে থাকতে পারিনা।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত অলি হালদারের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ী থানার এস আই মামুন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories