শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

সাটুরিয়ায় সৎ ভাইয়ের ধর্ষনে ছোট বোন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

/ ২৬ /২০২১
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সাটুরিয়ায় সৎ ভাইয়ের ধর্ষনে ছোট বোন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা!

মানিকগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা-

সৎ ভাইয়ের ধর্ষণে ছোট বোন (১৪) অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার জালশুকা গ্রামে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাতে এলাকায় জানাজানি হয়। অন্তঃসত্ত্বা ওই কিশোরী ও অভিযুক্ত একই বাবার সন্তান।

ধর্ষণের শিকার কিশোরী জানায়, এক বছরের বেশি সময় ধরে নিজের সৎ ভাইয়ের ধর্ষণের শিকার হয়ে আসছে সে। ধর্ষণে বাধা দিতে গেলে মারধর করা হতো তাকে। ওই কিশোরীকে বিভিন্ন সময় নিজ ঘরে ধর্ষণ করত লম্পট সৎ ভাই সুজন মিয়া (২২)। সুজন পেশায় মিষ্টি দোকানের কর্মচারী।

তার মাকে বিষয়টি জানালেও কোনো প্রতিকার পায়নি বলে অভিযোগ করেন কিশোরী। কিশোরীর বাবা কৃষক। তার মা-ও বাবার সাথে অন্যের জমিতে কাজ করেন। কিশোরীর বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। লোকলজ্জার ভয়ে কিশোরী বিষয়টি কাউকে জানায়নি এতদিনে। সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে মাকে সে পুরো ঘটনা খুলে বলে। পরে আলট্রাসনোগ্রামে ধরা পড়ে কিশোরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

ওই কিশোরীর মা বলেন, ‘আমি বাড়িতে না থাকায় সুজন আমার মেয়েকে ধর্ষণ করছে। বর্তমানে সে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।’

বৃহস্পতিবার ১০টার দিকে অভিযুক্ত সুজনের বাসায় গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। সুজনের বাবা মো: হাসান মিয়া বলেন, ‘আমরা এলাকার মাতুব্বরদের কাছে বিষয়টি বলেছি, তারা সমাধান করে দিবে বলছে।’

গ্রাম্য মাতুব্বর শামীম মিয়া বলেন, ‘আমরা এলাকায় বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।’ ধর্ষণের মতো কোনো গুরুতর অপরাধের বিচার আপনারা করতে পারেন কি-না, এমন প্রশ্ন করলে তিনি জানান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল বাশার সমাধান করে দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল বাশার সব কিছু অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’

সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories