শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েঃ কাওলা থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত আগামী বছর উন্মুক্ত হচ্ছে

আফরোজা সুলতানা, সিনিয়র নিউজ রিপোর্টার / ৬১ /২০২১
প্রকাশকালঃ রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েঃ কাওলা থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত আগামী বছর উন্মুক্ত হচ্ছে

আগামী বছর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাওলা হতে তেজগাঁও পর্যন্ত নির্মাণ শেষে ট্রাফিক চলাচলের উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি।

মন্ত্রী আজ সকালে পিপিপি ভিত্তিতে নির্মাণাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে একথা জানান। তিনি জানান, তিনটি ধাপে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রথম ধাপে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিলে কাওলা থেকে বনানী রেল স্টেশন পর্যন্ত, ২য় ধাপে বনানী রেল স্টেশন থেকে মগবাজার রেল ক্রসিং পর্যন্ত এবং ৩য় ধাপে মগবাজার রেল ক্রসিং থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ১৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মিত হচ্ছ।

প্রথম ধাপের ভৌত অগ্রগতি শতকরা ৬৬.২৫ ভাগ, দ্বিতীয় ধাপের ভৌত অগ্রগতি শতকরা ২১.৫০ ভাগ এবং তৃতীয় ধাপের ভৌত অগ্রগতি শতকরা ২.৩৩ ভাগ।

প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩০.৫০ ভাগ। উল্লেখ্য, প্রকল্পটির রুট নির্ধারিত হয়েছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা-কুড়িল-বনানী- মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৯ শত ৪০ কোটি টাকা।

পরিদর্শনকালে সেতু বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস, প্রকল্প পরিচালক এএইচএম আখতার হোসেনসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories