বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

‌‘তিন ডোজ’ টিকা নেওয়ার দাবিঃ তদন্ত শুরু!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

‌‘তিন ডোজ’ টিকা নেওয়ার দাবিঃ তদন্ত শুরু!

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শেখ ফজিলাতুন্নেছা কনভেনশন সেন্টারে তিন ডোজ করোনার টিকা গ্রহণকারী দাবিদার নারায়ণগঞ্জের সেই আলোচিত যুবক ওমর ফারুক নিখোঁজ হননি। তিনি বর্তমানে বিএসএমএমইউ’র মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন তিনি। টিকা নেয়ার পর তার জ্বর, সর্দি, কাশি কিংবা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি।

ওমর ফারুক আদৌ টিকার তিন ডোজ নিয়েছেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে মেডিসিন বিভাগের একজন অধ্যাপকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বিএসএমএমইউ’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম মিডিয়াকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বিএসএমএমইউ উপাচার্য এবং তিনি বৃহস্পতিবার সকালেও ওমর ফারুকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিন ডোজ টিকা নেয়ার কথা বললেও তার হাতে কোনো চিহ্ন নেই। সাধারণত এক ডোজ টিকা নিলেই সামান্য জ্বর, সর্দি কিংবা কাশি হতে পারে। কিন্তু তার ভাষ্য অনুযায়ী তিন ডোজ দিয়ে টিকা নেয়ার পরও তার কোনো ধরনের জ্বর-সর্দি-কাশি নেই। ওমর ফারুক নামের এই যুবক মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ কারণে তিন সদস্যের কমিটিতে একজন মানসিক বিশেষজ্ঞ রয়েছেন।’

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ওমর ফারুক বিএসএমএমইউ কনভেনশন সেন্টারে টিকাদান কেন্দ্রে তিন-তিনবার টিকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন। এ ঘটনায় বেশ আলোচনা শুরু হয়।

বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বুধবার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওমর ফারুক নামের ওই যুবকের বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করে।

এদিকে ওমর ফারুকের পরিবারের দাবি, তাদের সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার বিএসএমএমইউ কর্মকর্তা পরিচয়ে তাকে বাসা থেকে নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে তার আর খোঁজ মিলছে না। জাগো নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ