বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

লকডাউনেও থেমে নেই রক্তযোদ্ধারা

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
প্রকাশকালঃ বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১

লকডাউনেও থেমে নেই রক্তযোদ্ধারা

মিরসরাই, প্রতিনিধি :

যখনই প্রয়োজন তখনই সাড়া‌ দিচ্ছে রক্তমানবরা। স্বেচ্ছায় রক্তদান করে শত শত মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছেন এই মানবিক যোদ্ধারা। রক্তদানের মাধ্যমে শুধু জীবনই বাঁচাচ্ছেন তা না, এ কাজ করে তারা পাচ্ছেন মানসিক প্রশান্তি-আত্মতৃপ্তি। সেজন্য একবার রক্তদানের পর মুখিয়ে থাকেন কখন শেষ হবে ৯০ দিন! অনেকের ভাষায় তাদের বলা হয় ‘রক্তমানব’। আবার অনেকের ভাষায় রক্তযোদ্ধা বা লাল ভালোবাসাদানকারী এরা। এরকমই লাল ভালোবাসা বিলিয়ে অন্যের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসা একটি সংগঠন হলো বারয়ারহাট ব্লাড ব্যাংক।

“রক্ত দিন, জীবন বাঁচান” এই স্লোগান কে সামনে রেখে করোনা মোকাবেলার উদ্দেশ্যে গৃহবন্দী এই লকডাউনে থেমে নেই মীরসরাইয়ের অন্যতম সেচ্ছাসেবীমূলক সংগঠন “বারইয়ারহাট ব্লাড ব্যাংক” এক ফোটা রক্ত দানে একটি মুখে হাসি ফোটাতে পারে রক্তদান এর কার্যক্রম। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস এক মহামারী আকার ধারণ করেছে।দেশবাসী আজ লকডাউনে গৃহবন্দী। তবুও এক ফোটা রক্ত দানে একটি মুখে হাসি ফোটাতে পারে রক্তদান ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম এর মাধ্যমে চলছে রক্তদাতাদের রক্তদান।

যে কোন দুর্ঘটনা কবলিত ও মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন হলেই সেচ্ছাসেবকগণ গুরুত্বের সাথে রক্তদানের কার্যক্রম অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে করে যাচ্ছেন।অলাভজনক,সেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি অনলাইন ও অফলাইনে রক্তদাতা খুঁজতে সহায়তা করার পাশাপাশি রক্তদানে আগ্রহী করে তোলা, মুমূর্ষু ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মত মহৎ কাজ করে যাচ্ছেন।

উক্ত সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা রুবেল হোসেন বলেন, তরুনেরাই যে কোনো সংকটকালে জাতিকে দিশা দেখিয়েছে, তাদের সাহসি ও সহযোগি কর্মকান্ডের ফলেই দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়েছে ‘বারইয়ারহাট ব্লাড ব্যাংক’ এই সংঘঠনের উদ্যোক্তা ও কর্মিরা এখন মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত তাদের দেওয়া রক্তে জীবন ফিরে পাচ্ছে অসংখ্য মুমূর্ষু রোগি।

সহ-প্রতিষ্ঠাতা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর মাত্র ২৩ জন সদস্য নিয়ে বারইয়ারহাট ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিগত বছরে হাজারের ও বেশি রোগীর জীবন বাঁচাতে রক্ত দিয়ে মুমূর্ষু রোগীর পাশে দাঁড়িয়েছি আমরা। এই সংগঠনের বর্তমান সদস্য পাঁচশতাধিক এর ও বেশি। সারাদেশ ব্যাপি ছড়িয়ে আছে এই সংগঠনের রক্তযোদ্ধারা। যাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ডোনার সংখ্যা চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা। রক্ত চেয়ে আমাদের কাছে বিফল হয়েছে এমন নজির নেই। এই ধারা অব্যহত রাখতে আমরা সদ্য প্রস্তুত।
সংঘঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রুবেল ও শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে এবং গ্রুপের সক্রিয় এডমিন ফজলুল করিম, মিরহোসেন এবং নারী লিডার উম্মে ফারিয়া ও জারা চৌধুরীর সহযোগিতা ও তাদের ভূমিকায় এগিয়ে যাচ্ছে সংঘঠনটি।

বিশেষত রক্তদাতারা তারা যদি স্বেচ্ছায় রক্ত দান না করেন তাহলে অনেক থ্যালাসেমিয়া রোগী, সন্তানসম্ভবা নারী কিংবা অপারেশনের রোগীকে আমরা প্রয়োজনের মূহুর্তে রক্ত সরবরাহ করতে পারব না। তাই সুস্থ সবল প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যদি এই দুঃসময়ে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসেন তাহলে অনেক মানুষ বেঁচে যেতে পারেন।

রক্তদানের পাশাপাশি আশে-পাশের মানুষগুলোকেও রক্তদানে উৎসাহি করুন।‌ অসহায় মুমূর্ষ রোগীদের রক্তের ব্যবস্থা করে জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করুন এবং সেই সাথে সকল রক্তযোদ্ধাকে ভালোবাসা জানাই যারা করোনাকে হারমানিয়ে সেচ্ছায় রক্তদান করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ